‘‘সাহিত্যপিপাসু স্বজনরাই আমার সাহিত্যপ্রেমের পথ প্রদর্শক ও প্রেরণার উৎস’’

মিজানুর রহমান রানা
প্রভাতের উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা নিয়ে যার জীবনের শুরু, জীবনের মধ্যপর্যায়ে এসেও তিনি সেই আলো বিলিয়ে যাচ্ছেন সমাজ তথা সাহিত্যপ্রেমীদের অন্তরে। আলোর বিচ্ছুরণ দেখে সেই আলোতে নিজেকে প্রস্ফুটিত করতে তার কাছে ভীড় জমাচ্ছে আলোকিত মানুষ হওয়ার বাসনা ধারণকৃত মানুষগুলো।

সেই আলোকবর্তিকার নাম সামীম আহমেদ। তিনি পেশায় ব্যাংকার হলেও মনের মাঝে লালন করেন কবি-সাহিত্যিক তথা সাহিত্যপ্রিয় মানুষদের প্রতি অঢেল ভালোবাসা। বলা যায় এ ক্ষেত্রে তিনি আজ সফল একজন মানুষ। যেখানে শিল্প-সাহিত্যের আসর, সেখানেই দেখা যায় তাকে। জীবনের কোনো টানাপোড়েন তাকে আটকিয়ে রাখতে পারেনি কখনো এ মহান কর্ম থেকে। আপনমনেই সৃষ্টি করে যাচ্ছেন একের পর এক অপূর্ব সৃষ্টিকর্ম। সবার মাঝে জাগিয়ে তুলছেন সাহিত্যের অমিয় সুধা।

কবি, প্রবন্ধকার, আবৃত্তিকার সামীম আহমেদ-এর পিতার নাম আবদুল হামিদ খান, মাতা মরহুমা রৌশন আরা বেগম। তার স্ত্রী একজন শিক্ষিকা। তাদের এক ছেলে তাহমীম শাদমান অমি এবং এক মেয়ে সানজানা মুনতাহা মম। বসবাস করছেন চাঁদপুর ব্যাংক কলোনী, কানিজ মহলে।

বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়, চাঁদপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাতীয় সাহিত্য পরিষদ, চাঁদপুর জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক; বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ, চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি, বাংলাদেশ লিটল ম্যাগজিন পরিষদ, চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি; জাতীয় কবিতা পরিষদ, চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি, কাব্যলোক-এর সাধারণ সম্পাদক; কণ্ঠস্বর আবৃত্তি একাডেমীর অধ্যক্ষ ও পরিচালক; নির্বাহী সদস্য, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, কেন্দ্রীয় কমিটি; নির্বাহী সদস্য, সাহিত্য একাডেমী, চাঁদপুর; যুগ্ম সম্পাদক, পৌর কমিউনিটি পুলিশ, চাঁদপুর; ব্যাংক কলোনীস্থ আদর্শ আবাসিক উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সহ বহু সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনে কাজ করছেন।

কবি, লেখক, আবৃত্তিকার, প্রবন্ধকার সামীম আহমেদের সাথে চাঁদপুর রিপোর্টের পক্ষ থেকে কথোপকথনের বিস্তারিত আগ্রহী পাঠকের গোচরীভুত করতে হুবহু তুলে ধরা হলো :

চাঁদপুর রিপোর্ট :

‘সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে ও বাংলা ভাষার উৎকর্ষতায় কবি-সাহিত্যিকের অবদান কেমন হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন? এ ব্যাপারে কবি-সাহিত্যিকগণ কী অবদান রাখতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

সামীম আহমেদ :

সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে ও বাংলা ভাষার উৎকর্ষতায় কবি-সাহিত্যিকদের অবদানের ক্ষেত্র অনেকাংশে সে সময়ের প্রেক্ষাপটে স্ব স্ব সৃষ্টিকর্মের ওপর নির্ভর করে। রবীন্দ্রনাথের ‘গীতাঞ্জলি’ আর নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ ভিন্ন সময়ের দুটি অনবদ্য সৃষ্টি। অথচ দুটি সৃষ্টিই সে সময়ের প্রেক্ষাপটকে যথেষ্ট আলোকিত করেছে। অন্যদিকে রবী ঠাকুরের ‘হৈমন্তি’ আর শরৎচন্দ্রের ‘বিলাসী’ দুটি সৃষ্টিই ভিন্ন দুটি সমাজব্যবস্থার ইঙ্গিত করে। সমাজ বিনির্মাণে এ দুটি ছোটগল্পের প্রেক্ষাপটে খুঁজে পাওয়া যায় খণ্ড ও অখণ্ড, অহং ও আত্মা, স্বাতন্ত্র ও মিলন, সংসার-অনুরাগ ও সংসার বিরাগ এবং প্রাপ্তি ও ত্যাগ। আবার ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম রোমান্টিক কবি শেলীর লেখনীতে সমাজ বিনির্মাণের ছোঁয়া তৎকালীন ইংরেজ সমাজ মেনে নেয়নি। শেলী সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন নতুন সৃষ্টির অদম্য নেশায় পুরাতনকে অস্বীকার করে। ফলে শেলীকে ইংল্যান্ডের মাটি থেকে বিতাড়িত করে নির্বাসন দিয়েছিলো তৎকালীন সঙ্কীর্ণ বুদ্ধির পরিচায়ক ইংরেজ সমাজ।

তাই সুস্থ সমাজ বিনির্মাণ ও যে কোনো ভাষার উৎকর্ষতায় কবি-সাহিত্যিকদের অবদান একটি আপেক্ষিক ব্যাপার। যা চোখে দেখা যায় কিন্তু স্পর্শ করা যায় না।

চাঁদপুর রিপোর্ট :

সাহিত্যের প্রতি আপনার আকৃষ্ট হওয়ার কারণ বলবেন কি? সাহিত্যপ্রেমে পড়ার পেছনে কোন্ ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের অবদান আপনার জীবনে ওতপ্রোতভাবে কাজ করছে?

সামীম আহমেদ :

সাহিত্যের প্রতি আকর্ষণ সেই ছেলেবেলা থেকেই। আমি তখন বিষ্ণুদী আজিমিয়া সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র। আমাদের অত্যন্ত প্রিয় সকলের শ্রদ্ধাভাজন প্রধান শিক্ষক (বর্তমানে মরহুম) হুমায়ুন কবীর স্যার একটি দেয়ালিকা প্রকাশ করেছিলেন। ওই দেয়ালিকায় স্বহস্তে লেখা কবিতাটিই প্রথম প্রকাশিত কবিতা। এরপর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়াবস্থায় আমরা ক’জন বন্ধু মিলে অনেকগুলো কবিতা দিয়ে একটি দেয়ালিকা প্রকাশ করলাম। সেখানেও আমার একটি কবিতা স্থান পেলো। অতঃপর চাঁদপুর সরকারি কলেজে ’৮৫-’৮৭ পর্যন্ত তৎকালীন ছাত্রলীগের হয়ে অনেক কবিতা লিখেছি। একবার একটি দেয়ালিকা প্রকাশ করে বাস্কেট বল প্লে গ্রাউন্ডে প্রদর্শনের জন্যে রাখা হয়েছিলো। তারপর কিছুটা প্রশংসা কিছুটা আলোচনায় কবিতার পথ খোলা হলো। ঠিক ওই সময়ই পরিচিত হলাম ‘নির্ঝর’-এর স্বপ্নদ্রষ্টা কাজী শাহাদাত ভাইয়ের সাথে। সেই থেকেই সাহিত্যের সাথে বসবাস ও একসাথে পথচলা। অতঃপর ’৯০-এর দশকে ‘কাব্যলোক’ প্রতিষ্ঠা। শাহাদাত ভাই সভাপতি, আমি সাধারণ সম্পাদক। সাহিত্যপিপাসু এই স্বজনই মূলত আমার সাহিত্যপ্রেমের পথ প্রদর্শক ও প্রেরণার উৎস। এজন্যে তাঁকে (কাজী শাহাদাত) আমি নাম দিয়েছি ‘সাহিত্যের আবে-হায়াত’।

চাঁদপুর রিপোর্ট :

আপনি সম্পাদনায় কখন, কেন আসেন? এ ব্যাপারে আপনি কতটুকু সফলতার দাবি রাখেন?

সামীম আহমেদ :

কাঁচা হাতে সম্পাদনা শুরু আমার কলেজ জীবন থেকেই। তারপর আমার সাহিত্যগুরু কাজী শাহাদাতের দিক-নির্দেশনায় পরিপূর্ণ সম্পাদনায় হাত দেই ’৯০-এর দশকে ‘কাব্যলোক’ প্রকাশনার মাধ্যমে। প্রয়াত সংগীতগুরু শীতল ঘোষাল আমার সম্পাদনার এতোটাই প্রশংসা করলেন যে, পরবর্তী কাব্যলোকের সংখ্যায় তাঁর একটি লেখা ছাপানোর অনুরোধ করেছিলেন আমাকে। এরই মাঝে অনেক কবিতাপত্র ও কিছু লিটল ম্যাগজিনেরও সম্পাদনা করেছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্মরণে ‘বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ’-এর প্রকাশনায় আমার এ সময়ের সম্পাদিত সুভ্যেনির ‘মহাকাল’ ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। জ্ঞানের স্রোতে ভেলা ভাসিয়ে একজন কলম সৈনিক হিসেবে পুরোপুরি সফলতা পাওয়া কঠিন ব্যাপার। তবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবোধ, আত্মবিশ্বাস ও বাঙালি মানসের সাংস্কৃতিক রুচিবোধের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই এ ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবো।

চাঁদপুর রিপোর্ট :

আমাদের বর্তমান সাহিত্য চর্চার ধরন কেমন হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?

সামীম আহমেদ :

সাহিত্যে নোবেল প্রাপ্তির প্রেক্ষাপট চিন্তা করলে সম-সাময়িক বিশ্বে আঞ্চলিকতার প্রাধান্য চোখে পড়ে। যেমন ঃ ১৯৮৭ সালে কবিতায় নোবেল বিজয়ী যোসেফ ব্রডস্কি তার একটি কবিতায় লিখেছেন, “সময়, ধারালো রক্তপিপাসু কলমে নিহতদের আলাদা করে নেয় ঘাতকদের থেকে, ঘোষণা করবে শেষের গোত্রটিই আপনার জাত।” এর প্রায় একদশক পর ১৯৯৫-এ সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী উত্তর আয়ারল্যান্ডের অধিবাসী কবি সিমাস হিনি’র ‘ডেথ অব এ ন্যাচারালিস্ট’ কাব্যগ্রন্থে (দাউদ হায়দার অনুদিত) ‘অচেনা’ কবিতার প্রথম চরণটি এ রকম- “স্বভূমি থেকে যে আঞ্চলিক ভাষা ঠোঁটস্থ করেছি বলে রাখি, আমার গর্ব এখানেই এবং আমি আবৃত্তি করি আঞ্চলিক শব্দমালা; হোক তোমার অচেনা।” সনেট কবি সাগরদাড়ির মাইকেল দত্ত বিদেশের মাটি থেকে স্বদেশে এসে এদেশের সাহিত্যের সৃষ্টিময় ক্ষমতার গভীরতা, জীবনবোধের রূপান্বিত বিস্তৃতি এবং মানবতাবাদের শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুভব করায় আজো তার সৃষ্টিকর্ম স্মরণযোগ্য ও স্বতন্ত্রধারায় আমাদের মাঝে বরণীয়। তাই আমাদের সাহিত্যচর্চার ধরণ এমন হওয়া উচিত যেখানে থাকবে দিন বদলের সক্রিয় ইচ্ছাশক্তির গতিময়তা। যেখানে থাকবে অন্তঃক্ষরণ, আকাক্সক্ষা, চিন্তা ও অনুভূতি, কঠোরতা, অন্তর্শক্তি, যোগ্য উত্তরাধিকার, গঠিত অতীত, প্রাণময় বর্তমান এবং আলোকিত ভবিষ্যত।

চাঁদপুর রিপোর্ট :

সাহিত্য-সংস্কৃতি জাগরণে আমাদের কী ভূমিকা থাকা উচিত বলে মনে করেন?

সামীম আহমেদ :

এসো বন্ধুরা সাদা মনের মানুষ খুঁজি। পাবো কি পাবো না সেটা বড় কথা নয়। দেবার মানসিকতা নিয়েই বড় হতে চাই। সাহিত্য-সংস্কৃতির জাগরণের ক্ষেত্রে সাদা মনের মানুষের একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু এ বিশাল পরিমণ্ডলে মুক্ত চর্চার মানুষ না হলে আদৌ সাহিত্য-সংস্কৃতি জেগে ওঠে না। তাই এ উভয় সংস্কৃতিতে নিজেকে কোনো শ্রেণী ব্যবধান সৃষ্টি না করে মুক্ত মনের মানসিকতা দিয়ে আমাদের ভূমিকা রাখা উচিত বলে আমি মনে করি। কিন্তু ইদানিংকালে লক্ষণীয় যে, মুষ্টিমেয় কলম সৈনিক নিজেদের সৃষ্টিকর্ম থেকে দূরে সরে গিয়ে অনাকাক্সিক্ষত লেখনির জন্ম দিচ্ছেন, যা তার সাহিত্যকর্ম বা লেখনিকে আলোর পথ না দেখিয়ে বরং অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে।

চাঁদপুর রিপোর্ট :

বর্তমানে বাংলা কবিতা কোন্ পর্যায়ে রয়েছে বলে আপনি মনে করেন?

সামীম আহমেদ :

কবিতা মানে আড়ালে থেকে যাওয়া এক সুুন্দর। যা থেকে সাধারণেরা অনেক দূরে। যা কেবল উপলব্ধি দিয়েই অর্জন করা সম্ভব। সুন্দরের যে সাধারণ সংজ্ঞা তাও অতিসাধারণ। অনুভূতিনির্ভর কবিতাগুলো কাব্যপিপাসু পাঠকের চাহিদা অনুযায়ী বর্তমান প্রেক্ষাপটে আধুনিক কবিতায় স্থান করে নিয়েছে। পদ্য কবিতার ছন্দ ভেঙ্গে গদ্যের ধারায় আধুনিক কবিতা নামকরণ হচ্ছে। তারপরও বর্তমান বাংলা কবিতা রবীন্দ্র-নজরুল ও জীবনানন্দের কবিতার ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। যদিও রবীন্দ্র কাব্যের ওপর পাশ্চাত্যের ছায়া পড়েছিলো। তারপরও আমি বলবো, বর্তমান বাংলা কবিতা তার নিজস্ব রীতি ও বৈশিষ্ট্য তৈরি করেছে। যা বাংলাভাষী কাব্য পিপাসুদের রুচি মেটাতে সক্ষম।

চাঁদপুর রিপোর্ট :

আমাদের দেশের তরুণরা গদ্যের চেয়ে কবিতা বেশি লিখছে। এ ব্যাপারে আপনার কী মনে হয়?

সামীম আহমেদ :

বাংলা ভাষাতেই ছন্দের প্রকাশভঙ্গি কাব্যরসিক মানুষকে কাছে টানে। মনের মানুষের কাছে কোনো কথা জানান দেয়ার প্রথম হাতিয়ারই হচ্ছে মিষ্টি একটি প্রেমের কবিতাÑ যদি প্রেয়সী তেমনটি হয়। তারুণ্য সব সময়ই সরল ছন্দে পাতানো রেল লাইনের ওপর দিয়ে হাঁটতে পছন্দ করে। রেল লাইন যেমন বহে সমান্তরাল- তেমনি তারুণ্যের বহিঃপ্রকাশটুকু কাব্যের আদলে তার মন থেকে বের হয়ে আসতে চায়। তাই কবিতাকে আশ্রয় করে নেয়া।

চাঁদপুর রিপোর্ট :

আমরা জানি, ‘সাহিত্য দৈনন্দিন জীবন, যৌবন ও সর্বস্তরের মানুষের কথা বলে। সাহিত্যপ্রেম মানুষকে আশার ভেলায় ভাসিয়ে জীবন নদীর কিনারায় পৌঁছে দেয়’। এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কী?

সামীম আহমেদ :

সময় যতো দীর্ঘ হোক জীবন তো একটাই। সে জীবনে আছে প্রত্যাশা-হতাশা। সাহিত্যপিপাসু মানুষগুলোকে প্রত্যাশার দেবদূতগুলো সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়। যৌবন যখন সেই প্রত্যাশাগুলো থেকে কাক্সিক্ষত দিক-নির্দেশনা পেয়ে যায় তখনই আশার ভেলায় জীবন ভেসে যায় নদীর কিনারায়। এ জন্যেই সাহিত্যে আবৃত মন কখনও মরে না। হতাশা তাদের গ্রাস করে না। তাছাড়া এই পরিমণ্ডলে সমমনা মানুষগুলো একত্রিত হয়ে একটা বিশাল মহীরুহ তৈরি করে ফেলে। আর সেটাই হচ্ছে জীবন নদীর ভেতর আরেকটা সমুদ্র।

চাঁদপুর রিপোর্ট :

‘সাহিত্যপাতা’র পক্ষ থেকে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

সামীম আহমেদ :

আপনাকেও ধন্যবাদ। আপনার সৃজনশীল কর্মকাণ্ড ও মুক্ত জ্ঞান চর্চা দিয়ে চাঁদপুুর কণ্ঠের সাহিত্যপাতা আরও খরস্রোতা নদীর মতো গতিশীল এবং দিনবদলের হাতিয়ার হোক এ প্রত্যাশা করছি।

205 জন পড়েছেন

Recommended For You

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়