করোনার কীট আবিষ্কার : বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল বাংলাদেশ

0
37479

 

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :
করেনা ভাইরাসের আতঙ্কের সারা পৃথিবী যখন কাঁপছে তখন বৈপ্লবিক এক আবিষ্কারের কথা জানাল বাংলাদেশের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। তারা সহজ এবং সুলভ এক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে, যার মাধ্যমে মাত্র ১৫ মিনিটেই করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা করা যাবে।

http://picasion.com/

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সময় সংবাদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

এরই মধ্যে সরকারের তরফ থেকে এটি উৎপাদনের অনুমতিও পেয়েছেন বলে জানান ড. জাফরুল্লাহ।

তিনি বলেন, কিটটা হলো, এ দিয়ে রোগী নিজেই নিজের পরীক্ষা করতে পারে। এখানে ছোট যন্ত্র থাকে যাতে রক্তের নমুনা মিশিয়ে পরীক্ষা করা হয়, ওটা হলো কিট। করোনার যে কিটটা আছে, এটা ছোট যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করা যায় না। এটার জন্য পিসিআর লাগে। এই পিসিআরের দাম ৫০ লাখ টাকা। এর জন্য বিশেষজ্ঞ লোকজনও লাগে। এই পরীক্ষা করতে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়। দুই থেকে পাঁচদিন সময় লাগে।

gif maker

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আর আমাদের এই পদ্ধতির বৈপ্লবিক দিক হলো, আমরা ১৫ মিনিটের মধ্যে বলে দিতে পারবো আপনার করোনা হয়েছে কিনা। রোগটা নির্ণয় করে দিতে পারবো।

এই জন্যই সারা পৃথিবীর আগ্রহের কেন্দ্রে চলে এসেছে গণস্বাস্থ্যের এই আবিষ্কার।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এখন গণস্বাস্থ্যের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান আমাকে ফোন করেছে। তারা এটা নিয়ে আমাদের সঙ্গে কাজ করতে চায়।

http://picasion.com/
দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যেই উৎপাদন শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, আজ দুপুরে আমরা সরকারের অনুমোদন পেয়েছি। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাজ্য থেকে কাঁচামাল দেশে পৌঁছাবে। দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে উৎপাদনে যাবো।

তিনি আরও বলেন, কিট উৎপাদনের কাঁচামাল চীনের কাছেও আছে। তবে চীন বাণিজ্যিকভাবে কিট উৎপাদনের জন্যে কাঁচামাল বিক্রি করবে না বলে জানিয়েছে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উৎপাদন শুরু করলে দেশে কিট নিয়ে কোনো সঙ্কট থাকবে না বলেও দাবি করেন ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

জেনে নিন করোনা আক্রান্ত হলে কী করবেন? কাকে ফোন দিবেন :

করোনায় সবাই ভয় পাচ্ছে। এখানে ডক্টর আছে আপনার কথা শুনতে, সাহস দিতে। নির্দ্বিধায় ফোন করুন। ২৪ ঘন্টা ননস্টপ সার্ভিস দিতে পাশে আছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট। আমাদের ২৪/৭ হেলথ সার্ভিসের সাথে থাকুন।

এই মুহূর্ত থেকে নিম্নোক্ত চিকিৎসকদের হটলাইন নাম্বার গুলো ওপেন করে দেয়া হয়েছে। আপনারা নিজেরা এই নাম্বারগুলো সেভ রাখুন এবং ফেইসবুকে শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে আপনার মানবিক সৌন্দর্য প্রদর্শন করুন।

২৪ ঘন্টা সার্ভিস :

1. Dr. Rehan Akhter
Contact:01687670413

2. Dr.Nazir Shah
Contact: 01303316018

3. Dr.Niloy Prosad
Contact: 01718452558

4. Md.Asaduzzaman Shuvo
Contact :01301880283
gif maker
5. Dr. Mahbubur Rahman Rajib
Contact : 01533987914

6. Dr.Mohona Khondoker
Contact : 01953513108

7. Dr. Saifa Islam
Contact : 01883-581829

8. Dr. Atiya Rahman
Contact: 01772606470

9. Dr. Priyanka Mondal
Contact :01717020118

http://picasion.com/ 10. Dr. Sharmin haque prima.
Contact : 01795233354

11. Dr Shadman Sakib
Contact : 01675843987

12. Olia Mahjabin
Contact : 01796597198

13. Dr.Tanvir Rahman
Contact :01518-615052

14. Dr. Sadia Afrin
Contact: 01534301925

সকাল ৮ টা – রাত ১২ টা সার্ভিস

8 am-12 am

1. Dr. Zaara Rahman
Contact: 01757540162

2. Nawrin Jahan
Contact: 01873147497

3. Dr.Farjana yeasmin
Contact:01929422331

4. Dr. Refat parvez amy
Contact: 01841716131

5. Dr.Nusrat Nueri Raisa
Contact: 01856877748

6. Dr. Subhashree monigram Contact: 01401288202

7. Dr.Nigar sultana
Contact: 01972397197

8. Dr. Nafisa Rahman
Contact: ‭01627585100

9. Rasma Muzaffar
Contact: 01797287465

10. Dr Hima
Contact:01611108566

11. Dr.Mahbub Alam
Contact: 01759800507

12. Dr. Farjana
Contact : 01534991865

#StayHome
#StaySafe

আপনার প্রয়োজনে তাঁরা আপনার পাশে ২৪ ঘণ্টা রয়েছেন।

 

করোনার তথ্য জানাতে বাড়ানো হয়েছে হটলাইন নম্বর

করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ সম্পর্কিত তথ্য জানাতে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) নিয়মিত চারটি হটলাইন নম্বরের পাশাপাশি আরও আটটি নম্বর যোগ করা হয়েছে। একই সাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৬২৬৩ নম্বরেও কল করে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে। নতুন যোগ করা হটলাইন নম্বরগুলো হচ্ছে-০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪ ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩ ও ০১৪০১১৮৪৫৬৮। পূর্বের নম্বরগুলো হচ্ছে-০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১।

বিদেশফেরত বাংলাদেশিদের ১৪ দিন বাড়িতে অবস্থানের পরামর্শ দিয়েছে আইইডিসিআর। কোয়ারেন্টাইনের এই ১৪ দিন বাড়িতে অবস্থানের ক্ষেত্রে তাদের স্বজনদেরও সচেতন থাকতে হবে। বিদেশ ফেরতদের স্বজন, বাড়িওয়ালাসহ সবার সহযোগিতা কামনা করছে সরকার।

আইইডিসিআর জানিয়েছেন, যারা আক্রান্ত দেশ থেকে ভ্রমণ করে এসেছেন এবং যাদের মধ্যে করোনার লক্ষণ- জ্বর, কাশি, গলাব‌্যাথা বা শ্বাসকষ্টের উপসর্গ রয়েছে, তারা যেন হটলাইনে যোগাযোগ করেন। সাধারণ লক্ষণ উপসর্গ নিয়ে সরাসরি না এসে বাসায় থেকেই হট লাইনে যোগাযোগ করে চিকিৎসা পাওয়া যাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকাই এই ভাইরাস প্রতিরোধের সর্বোত্তম পন্থা। সূত্র-ইউএনবি

করোনা সন্দেহ হলে কী করবেন?

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বের ১০৩ দেশে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাসে মারা গেছে অন্তত সাড়ে তিন হাজার।

আর এই করোনা নিয়ে এখন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আর ঋতু পরিবর্তনের ফলে এখন অনেকে সর্দি-কাশিতে ভুগছেন।

প্রাণঘাতী এই রোগ প্রতিরোধে সারাবিশ্বে চলছে বিভিন্ন কার্যক্রম। আর কেউ যদি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েই যান তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

http://picasion.com/তবে করোনা সন্দেহ হলে প্রাথমিকভাবে আপনার কিছু করণীয় রয়েছে। এই ভাইরাসে আক্রান্তদের সরাসরি হাসপাতালে চলে যেতে নিষেধ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ‘হু’। এতে হাসপাতালে থাকা অন্যান্য রোগীর শরীরেও এই ভাইরাস প্রবেশ করার আশঙ্কা তৈরি হবে।

তবে এখন প্রশ্ন হলো– কী করবেন? আসুন জেনে নিই করোনাভাইরাস সন্দেহ হলে যা করবেন-

১. করোনাভাইরাস সন্দেহ হলে একা একা সারাসরি হাসপাতালে যাবেন না। ২. ফোনে হাসপাতালে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরামর্শ নিতে পারেন।

২. জ্বর-সর্দি-কাশি ১০ দিনের মধ্যে ভালো না হলে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে।

৩. করোনা ধরা পড়লে শরীরের অবস্থা বুঝে চিকিৎসা নিন। হাসপাতালে থাকবেন নাকি বাড়িতে তা চিকিৎসকের কাছে জেনে নিন।

৪. করোনা ধরা পড়ার অন্তত ১৪ দিন বিশ্রাম নিতে হবে ও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র খেতে হবে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

মৃত্যু দশ হাজার ছাড়িয়ে: করোনা ঠেকানোর উপায় কী?

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছে। এই সম্পাদকীয় লেখা পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী প্রায় আড়াই লাখ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। দ্রুত ছড়ানোর প্রেক্ষাপটে এবং বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানি ঘটায় ভাইরাসটিকে মানবতার শত্রু হিসেবে আখ্যা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বস্তুত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ববাসী এর চেয়ে বড় দুর্যোগ প্রত্যক্ষ করেনি। বলতে গেলে বর্তমান সময়ে বিশ্বসভ্যতা এক চরম সংকটের মধ্যে পড়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে কবে কীভাবে উত্তরণ ঘটবে, তা এক বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ জন, মারা গেছেন একজন। করোনা মোকাবেলায় সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বটে, তবে এতসব উদ্যোগ সত্ত্বেও করোনার প্রভাব কতটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে, তা বলা যাচ্ছে না। এই মুহূর্তে সবচেয়ে যা জরুরি তা হল, আতঙ্কিত না হয়ে সদা-সর্বদা সতর্কতা অবলম্বন করা।

এই সতর্কতার মধ্যে রয়েছে- জনসমাগম এড়িয়ে চলা, বিশেষত দেশে আগত প্রবাসীদের সংস্পর্শে না আসা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ইত্যাদি। দেশে আগত প্রবাসীদের মধ্যে একটি প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে- তাদের অনেকেই নিয়ম মেনে চলছেন না। বিষয়টিতে সরকারের কঠোরতা আরোপ করা উচিত। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ওয়াজ-মাহফিল, পূজা-পার্বণ, তীর্থযাত্রাসহ সব ধরনের ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সমাবেশ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

পাশাপাশি যাদের জ্বর, সর্দি-কাশি রয়েছে তাদের মসিজদে না যাওয়ারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, সরকারের এ নির্দেশনাগুলো প্রত্যেকেরই মেনে চলা উচিত। সরকারের এসব নির্দেশনা যাতে সঠিকভাবে প্রতিপালিত হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকেই। বস্তুত বর্তমান সময়ে কারও ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছার কথা ভাবলে চলবে না, সমষ্টির স্বার্থে কর্তব্য নির্ধারণ করে তা পালন করতে হবে সবাইকে। অন্যথায় পরিস্থিতি এমন আকার ধারণ করতে পারে, যা থেকে উদ্ধারের আর কোনো উপায় থাকবে না। করোনাভাইরাসের প্রভাবে এমনিতে দেশের অর্থনীতি, শিক্ষাসহ নানা ক্ষেত্রে বিপর্যয় নেমে এসেছে। করোনা সংকট ঘনীভূত হলে জাতি হিসেবে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়বে আমাদের জন্য।

বর্তমান দুর্যোগের একটি বড় দিক হল, করোনাভাইরাসের কার্যকর প্রতিষেধক এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। এই প্রতিষেধক আবিষ্কার হতে যতদিন সময় লাগবে, ততদিনে পরিস্থিতি কেমন রূপ ধারণ করবে, আমরা তা জানি না। সুতরাং এ মুহূর্তে করোনা প্রতিরোধের বিকল্প নেই। করোনার উৎপত্তি হয়েছিল যে দেশে, সেই চীন ইতিমধ্যে করোনার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার ব্যাপারে সক্ষমতা দেখিয়েছে। সেখানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। চীনের সক্ষমতা থেকে আমাদের শিক্ষণীয় কিছু আছে কি না, তা যাচাই করে দেখতে হবে। আমরা আশা করব, পৃথিবীর সব দেশ ও অঞ্চলই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে অতি দ্রুত বেরিয়ে আসতে সক্ষম হবে। এ জন্য দরকার বিশ্ববাসীকে একযোগে এই অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে সতর্কতার যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
50,280 জন পড়েছেন
http://picasion.com/