দুধের সঙ্গে রসুন খেলে এত উপকার পাওয়া যায়!

0
38373

অনলাইন ডেস্ক

দুধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সবাই কম-বেশি জানি। সব বয়সীদের জন্যই দুধ একটি উপকারী পানীয়। এটি আমাদের শরীরে শক্তি জোগায়।

http://picasion.com/

এদিকে রসুনে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। কাঁচা রসুন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে। তাই দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

এছাড়া, দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া শ্বাসতন্ত্রকে ভালো রাখে। রাতে ঘুমানোর আগে দুধের মধ্যে রসুন দিয়ে খেলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।

অ্যাজমা, কফ, নিউমোনিয়া সমস্যায়: যাদের অ্যাজমা, কফ, নিউমোনিয়ার সমস্যা রয়েছে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দুধে রসুন মিশিয়ে খেলে সমস্যা দূর হয়।

কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে: দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতেও সাহায্য করে।

জন্ডিসের প্রতিকার: রসুন-দুধ জন্ডিসের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। জন্ডিসে আক্রান্ত হলে দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে উপকার মিলবে।

বাতের ব্যথা কমা: গাঁটে গাঁটে ব্যথা অনেক কমিয়ে দেয় এই রসুন ও দুধ। এমনিতেই গরম দুধ ব্যথা কমায়, সেই সঙ্গে রসুন প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। সব মিলিয়ে খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়।

অনিদ্রার সমস্যা: হাজার চেষ্টা করলেও রাতে ঠিক করে ঘুম হয় না। এক গ্লাস রসুন-দুধ খেয়ে নিন। সমস্যা দূর দয়ে যাবে। ঘুম আসবে সহজেই।

রোজ এক কোয়া রসুন খেলে ৭ উপকার

সুস্থ থাকতে রোজ খান এক কোয়া কাঁচা রসুন। সকালে খালি পেটে খেতে হবে এমন নয়৷ বিকেল–দুপুর বা রাতে খেতে পারেন৷ তবে খেতে হবে কাঁচা৷ সাধারণ রসুনেরই একটা কোয়া খেতে পারেন৷ তবে হাই প্রেশার বা কোলেস্টেরল থাকলে খান ৩–৪টি করে৷ এক্ষেত্রে প্রেশার বা কোলেস্টেরলের ওষুধ বন্ধ করবেন না৷ সঠিক খাবার, ব্যায়াম ও চেকআপ চালিয়ে যাবেন৷

খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ শতকে চিন ও ভারতে রক্ত পাতলা রাখার জন্য এর প্রচলন ছিল৷ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷ লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷

সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গেছে৷ আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা৷ ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিন–এর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের মতে, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে৷ চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঁচা রসুন খেলে আরও কী কী উপকার মিলবে-

১. রক্তচাপ কমায়৷ চার কোয়া করে খেলে সে রক্তচাপ কমানোর ওষুধের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারে কিছু ক্ষেত্রে৷

২. টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০–১৫ শতাংশ কমে যায়৷ তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই৷

৩. বিপাকীয় ক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের ফলে যে ফ্রি র‌্যাডিক্যালস তৈরি হয় তা হার্ট তথা সমস্ত শরীরের জন্য ক্ষতিকর৷ রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সেই ক্ষতি খুব ভাল ভাবে ঠেকাতে পারে৷

৪. যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তারা অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকেন৷

৫. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু৷

৬. ইস্ট্রোজেন লেভেল বেড়ে হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল হয় মেয়েদের৷ তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি৷

৭. লেড টক্সিসিটি কমাতে কাজে লাগে৷

জার্নাল অফ এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রিতে প্রকাশিত প্রবন্ধে কাঁচা ও শুকনো রসুনের প্রভাব বিচার করেছেন বিজ্ঞানীরা৷ ল্যবরেটরিতে বড় হওয়া দু’দল ইঁদুরের মধ্যে এক দলকে বেশ কিছু দিন ধরে খাওয়ানো হয় টাটকা কাঁচা রসুন, আর এক দলকে শুকনো রসুন৷ এর পর তাদের মধ্যে হালকা হার্ট অ্যাটাক সৃষ্টি করিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেন, কোন গ্রুপের ইঁদুর কী ভাবে সামলাচ্ছে এর ধাক্কা৷ দেখা যায়, হার্ট অ্যাটাকের ফলে অক্সিজেনের অভাবে হার্টের পেশির যে ক্ষতি হয়েছে, দু’দল ইঁদুরই তা সামলেছে প্রায় একই রকম দক্ষতায়৷ তবে যারা কাঁচা রসুন খেয়েছিল, এই বিপর্যয়ের পরেও তাদের হার্টের মূল ধমণী দিয়ে রক্ত সঞ্চালন বেশি ভাল ভাবে হয়েছে ও হার্টের মধ্যে এমন কিছু পরিবর্তন হয়েছে যাতে চট করে রোগের ধকল সামলে উঠেছে তারা৷ এ ব্যাপারে মানুষের ওপর পরীক্ষা এখনও না হলেও মোটামুটি নিশ্চিত করে বলা যায়, কাঁচা রসুনের যত উপকার, প্রক্রিয়াকরণের পরে আর তত থাকে না৷

হারানো যৌবনকে ফিরিয়ে দেবে রসুন!

রসুন কেবল একটি মসলাই নয়, এর একাধিক ওষুধিগুণ রয়েছে, এ কথা কম বেশি সবারই জানা। আয়ুর্বেদ ও হেকিমিশাস্ত্রে অনেক আগে থেকেই ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। রসুনে জীবাণু ও কীটনাশক গুণও রয়েছে। মূলত মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হলেও রসুনের পুষ্টিমূল্যও কম নয়।

এছাড়াও ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখার পাশাপাশি বয়স ধরে রাখার জন্যও রসুনের কোনো বিকল্প নেই।

এক কোয়া রসুন হারানো যৌবনকে কীভাবে ফিরিয়ে দেবে তা জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় এক গণমাধ্যম। আসুন আমরা জেনে নিই কিভাবে কাজ করে এই রসুন।

১. ব্রণের সমস্যায় ভোগেন অধিকাংশ নারী। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নানা রকম পদ্ধতি অবলম্বন করেন তারা। কিন্তু খুব অল্প সময়ে ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য রসুনের কোনো বিকল্প নেই। এক কোয়া রসুনের রস ব্রণের উপর লাগিয়ে পাঁচ মিনিট রেখে তা ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিন পরে ফলাফল দেখলে চমকে যাবেন আপনি।

২. এক কোয়া রসুন এবং অর্ধেক টমেটো দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। ওই মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন গোটা মুখ। ট্যান উঠে গিয়ে দেখবেন চকচক করছে আপনার ত্বক।

৩. সন্তান জন্মের পর অনেক নারীর পেটে দাগ হয়ে যায়। শাড়ি পড়লে সেই দাগ মোটেও দেখতে ভালো লাগে না। এই সমস্যার জেরে শাড়ি পরার সময় অনেক ভাবনাচিন্তা করতে হয়। জানেন কী, এই সমস্যা থেকেও মুক্তি দিতে পারে এক কোয়া রসুন। অলিভ অয়েলের সঙ্গে রসুনের রস মিশিয়ে কয়েকদিন ব্যবহার করলেই মিলবে ফল।

৪. অনেকের ত্বকেই লাল-লাল দাগ দেখা যায়। দানা দানা আকারে বেরোয় ব়্যাশ। হাত, কনুই এমনকি মুখেও মাঝে মাঝে এই দাগ দেখা যায় অনেকের। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

৫. এ তো গেল ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রসুনের ব্যবহার। কিন্তু জানেন, শুধু ত্বকের সমস্যাই নয়, হারানো যৌবনকে ফিরিয়ে দিতে পারে এক কোয়া রসুন। মধু এবং লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া করে রসুন খান। দেখবেন, বয়সের কোঠা ৪০ পেরোলও, আপনাকে দেখলে মনে হবে বছর ২০ এর তন্বী।

রোগীর অবস্থা শুনে ও দেখে সারাদেশের যে কোনো জেলায় বিশ্বস্ততার সাথে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

(শতভাগ বিশ্বস্ত ও প্রতারণামুক্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান)

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত)

01960-288007

01762-240650

01834-880825

01777-988889 (Imo/whats-app)

শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, ডায়াবেটিস,অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা),ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর , আলসার, টিউমার, বাত-ব্যথা, দাউদ-একজিমা ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
51,777 জন পড়েছেন
http://picasion.com/