kachua 2

কচুয়ায় ফারুক মিয়াজীর ত্রাণ বিতরণ

ওমর ফারুক সাইম:

করোনা ভাইরাসে সারাদেশে চলছে লকডাউন। নিরুপায় হয়ে পড়েছে খেঁটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষেরা। তার চেয়ে বেশি কষ্টে আছে মধ্যবিত্ত্ব পরিবারের মানুষজন।

তারা কারো কাছে কিছু বলতেও পারে না আবার চাইতেও পারে না। শ্রমজীবি মানুষ জন এক প্যাকেট ত্রাণের জন্য ছবি উঠতে পারেন কিন্তু মধ্যবিত্ত্ব পরিবারের মানুষ জন ত্রাণ নেয়ার ছবি তোলার ভয়েই ত্রাণ নেয়ার কথা বলতে পারেন না।

সম্প্রতি মানুষের এই দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে কচুয়া উপজেলার সুবিদপুর গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব ওমর ফারুক মিয়াজী তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোন রকম ছবি উঠানো কিংবা প্রচার প্রচারনা ছাড়াই পৌছে দিচ্ছে খাবার। একটি ভ্যানে করে দিনে ও রাতের আঁধারে চলে যাচ্ছে অসহায় শ্রমজীবি মধ্যবিত্ত্বদের বাড়িতে খাবার।

এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ পরিবারের মাঝে কোন রকম প্রচারণা এবং ফটোশেসন ছাড়াই খাবার পৌছে দিয়েছে আলহাজ্ব ওমর ফারুক মিয়াজী।

Add piles sex Diabeties all

উপজেলার সুবিদপুর মিয়াজী বাড়ির মৃত আলহাজ্ব লতিফ মাষ্টারের বড় ছেলে জেলা অবসরপ্রাপ্ত জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ কর্মাকর্তা মো. শহিদউল্লাহ (বাচ্চু), মেঝ ছেলে কচুয়া পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য, কচুয়া উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা দুদকের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক মিয়াজী এবং ছোট ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং ঢাকাস্থ কচুয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির মিয়াজীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ গ্রহণকারী একজন মধ্যবিত্ত্ব পরিবারে ব্যক্তি জানান, করোনা প্রতিরোধে সকল কাজ কর্ম বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা মধ্যবিত্ত্ব পরিবারের মানুষ। আমরা আমাদের অভাবের কথা কাউকে বলতেও পারি না আবার কারো কাছে চাইতেও পারি না।
তারপরও যারা ত্রাণ বিতরণ করেন তারা প্রায় সময়ই ছবি উঠায়। লজ্জায় ছবি তোলার ভয়ে ত্রাণ নিতে যাইতেও পারি না।

তাদের মত মধ্যবিত্ত্ব পরিবারের মানুষদের কথা চিন্তা করে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফারুক মিয়াজীর এই মহতি উদ্যোগকে সবাই স্বাগত জানায়।

আলহাজ্ব ওমর ফারুক মিয়াজী জানান, করোনা পরিস্থিতিতে স্থবির হয়ে পড়েছে সব কিছু। কোথাও কোন কাজ নেই। অসহায় শ্রমজীবি মানুষজন ত্রাণ পেলেও পায় না বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত্ব পরিবারের মানুষ। কেননা তারা এক প্যাকেট ত্রাণ নেয়ার জন্য ছবি উঠতে চায় না।

তাদের কথা চিন্তা করে আমি ও আমার পরিবার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। দিনে ও রাতে আঁধারে আমি নিজে গিয়ে খাবার পৌছে দিবো কোন রকম ফটোশেসন বা প্রচারণা ছাড়াই। আসুন আমরা সকলেই নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হই।

123 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন