korona virus

বিপণি বিতান-শপিংমল বন্ধ রাখার সময় আবারও বাড়লো

 

নিউজ ডেস্ক :
সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বিপণি বিতান ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান টিপু স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে সরকার নতুন কোনো নির্দেশনা না দিলে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

এর আগে সোমবার (৬ এপ্রিল) ২য় দফায় সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজধানীতে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মার্কেট ও শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনটি।

এরে আগে ২ এপ্রিল ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতির আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সব বাণিজ্য বিতান ও শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

/

করোনাভাইরাস নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে সারা দেশের দোকানপাট, বিপণিবিতান ও শপিং মল বন্ধ থাকবে। তবে কাঁচাবাজার, মুদি দোকান, সুপারশপ ও ওষুধের দোকান খোলা থাকবে।

ওইদিন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি দোকানপাট, বিপণিবিতান বা শপিং মল বন্ধ রাখার সময়সীমা বাড়ানোর এই ঘোষণা দেয়।

করোনার কারণে প্রথমে দোকান মালিক সমিতি ২৫ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়। পরে সেটি ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ২ এপ্রিল তৃতীয় দফায় ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় সমিতি।

এদিকে সমিতি জানায়, সাধারণ ছুটিতে কেনাবেচা বন্ধ থাকায় তাদের দোকানগুলো থেকে দিনে ক্ষতি হচ্ছে ১ হাজার ৭৪ কোটি টাকা। তারা হিসাব করেছেন একেকটি দোকানে গড়ে ২০ হাজার টাকা বিক্রি ধরে। আর লভ্যাংশ ধরা হয়েছে ১০ শতাংশ।

/

এ হিসাব দিয়ে দোকান মালিক সমিতি কর্মচারীদের বেতন দিতে আড়াই হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, রপ্তানি খাতে মজুরি ও বেতন দিতে যে তহবিল গঠন করা হয়েছে, তারাও আংশিক সহায়তা হিসেবে একই ধরনের তহবিল চান।

এদিকে আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) আবারো বাড়ানো হলো সরকারি ছুটির মেয়াদ। সাধারণ ছুটি ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সাধারণ ছুটি দুই দফা বাড়িয়ে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। একইসঙ্গে বাতিল হয় পহেলা বৈশাখের সরকারি আনুষ্ঠানিকতাও। একই সঙ্গে বন্ধ রাখা হয়েছে সবধরনের গণপরিবহন চলাচলও।

মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ পার হয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার একদিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ১১২ জন। মোট মারা গেছেন ২৭ জন।

163 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন