আবারো আত্মহত্যা ভারতীয় অভিনেতার

 

নিউজ ডেস্ক :
বলিউড অভিনেতা সুশান্তের মৃত্যুর পরও থেমে নেই শোবিজ পাড়ায় একের পর এক তারকার মৃত্যু। এবার আত্মহত্যা করলেন মারাঠি অভিনেতা আশুতোষ ভাকরে।

মহারাষ্ট্রের নানদেদ শহরে নিজের বাড়িতেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এই অভিনেতা। মাত্র ৩২ বছর বয়সেই নিজেকে শেষ করলেন অভিনেতা। তবে তার আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি এখনও।

নানদেদের গণেশ নগর এলাকায় আশুতোষের ফ্ল্যাট ৷ সেখানেই তার ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে অভিনেতার মৃতদেহ ৷

করোনার জেরে দেশজুড়ে লকডাউন ৷ তাতে সমস্যায় পড়ছেন সব ইন্ডাস্ট্রির মানুষই।

আশুতোষের আত্মহত্যার কারণ অবশ্য এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।

যদিও পরিবার সূত্রে খবর, বেশ কয়েকদিন ধরেই মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত ছিলেন তিনি। কয়েকদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছিলেন আশুতোষ ৷ যেখানে উঠে এসেছে একজন অবসাদগ্রস্ত মানুষ কেন আত্মঘাতী হন, তার কারণ।

আশুতোষের স্ত্রী ময়ূরী দেশমুখও মারাঠি টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ৷ ২০১৬ সালে তাদের বিয়ে হয় ৷ বিয়ের মাত্র চার বছরের মধ্যেই আত্মহত্যার চরম সিদ্ধান্ত আশুতোষের।

 

আরো খবর :

 

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্রের জীবনাবসান

 

ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি সোমেন মিত্র মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। বুধবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা ৫০ মিনিটের দিকে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল বেলভিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

গত ১৭ জুলাই হৃদরোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েই করোনা পরীক্ষা করান তিনি। পরে পরীক্ষার ফল আসে নেগেটিভ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা ছিল। চিকিৎসকেরা তার শরীরে থাকা পুরোনো পেসমেকার বদলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতির প্রেক্ষাপটে এই ঝুঁকি না নিয়ে চিকিৎসকেরা তাঁর ডায়ালাইসিস করেন। পরে ওই হাসপাতালেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সোমেন মিত্রের জন্ম যশোরে, ১৯৪১ সালে। কলকাতার শিয়ালদা বিধানসভা আসন থেকে বেশ কয়েকবার নির্বাচিত বিধায়ক ছিলেন তিনি এরপর তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেবার পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সাংসদ হয়েছিলেন ২০০৯ সালে। এরপর তৃণমূল থেকে আবারো কংগ্রেসে ফিরে আসেন। এরপর ২০১৮ সালে আবার তিনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে মনোনীত হন। এর আগেও টানা প্রায় এক দশক প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বর্ষীয়ান এই নেতা।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী শিখা মিত্র ও একমাত্র ছেলে রোহন মিত্রসহ বহু আত্মীয়-পরিজন ও গুণগ্রাহীকে রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোক প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা এবং বিরোধীদলীয় নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী সহ বিজেপি, বামপন্থী শীর্ষ নেতৃত্ব।

278 জন পড়েছেন

Recommended For You

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়