chandpur report 541

ফরিদগঞ্জে শিক্ষার্থী অপহরণের ঘটনায় আটক ২

চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে শিক্ষার্থী অপহরণের ঘটনায় দু’জনকে আটক করা হয়েছে।

জানা যায়, ফরিদগঞ্জ জেলার ভাটিয়ালপুর দু’জন কিশোরী অপহরনের ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে  ঘটনার শিকার ভিকটিম সেলিনা আক্তারের মা রেনু বেগম ৩ জনকে আসামি করে এজাহার দায়ের করে।

ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ওই এজাহারের ভিত্তিতে তিন আসামীর মধ্যে দু’জনকে গ্রেফতার করে।

ফরিদগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় মামলা রুজু করা হয় এবং এজাহার নামীয় ১ ও ২ নং আসামী যথাক্রমে আনোয়ারা বেগম (৪০), স্বামী : আমান উল্লা মিজি, গ্রাম- ভাটিয়ালপুর ও আবুল বাসার (৪৮), পিতা- মৃত রহমান মিজি, গ্রাম- চির্কা দ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়।

১৮ আগস্ট মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে ওই দুই কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করান পরিবারের লোকজন।

গত ১৬ আগস্ট চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়ালপুর গ্রামে এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। এবং ১৮ আগস্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।

দুই কিশোরীর মধ্যে একজন ১৩ বছর বয়সী চির্কা চাঁদপুর বহুমুখী উচ্চ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী অন্যজন ১১ বছর ৬ মাস বয়সী কাচিয়ারা মহিলা আলিম মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।

তাদের পরিবারের লোকজন জানায়, একই এলাকার পার্শ্ববর্তী বাড়ির মোহাম্মদ আমান উল্ল্যার স্ত্রী আনু বেগম ও তার মেয়ে রুবি আক্তার মিলে ওই দুই কিশোরীকে হয়তোবা কোন নেশা মিশ্রিত খাবার খাইয়ে অচেতন করে তাদেরকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এদিকে তারা তাদেরকে বাড়িতে খুঁজে না পেয়ে সোমবার দিন ফরিদগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। তারা জানান মঙ্গলবার দিন সন্ধ্যায় ওই এলাকার আবুল বাশার নামে এক ব্যক্তি ওই দুই কিশোরীকে উদ্ধার করে তাদের পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়। এদিকে তারা খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলার একটি গুদারাঘাট থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে, অপহরণ হওয়ার পর ধর্ষণ হয়েছে সন্দেহে তাদেরকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে গাইনি ওয়ার্ডে নিয়ে ভর্তি করেন।

 

ফরিদগঞ্জ থানার এ এস আই শিকদার হাসিবুর রহমান। হাসিব জানান, ওই দুই কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের পরিবারের লোকজন ফরিদগঞ্জ থানা একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তারই প্রেক্ষিতে আমরা তাদের উদ্ধারে তদন্ত চলমান রাখি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জানতে পারি তাদের পরিবারের লোকজনই তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে এখন তারা যদি মামলা দেয় তাহলে আমরা মামলা নিয়ে আইনী কার্যক্রম পরিচালনা করবো।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ( আরএমও) ডাক্তার সুজাউদ্দৌলা রুবেলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন ওই দুই কিশোরীর পরিবারের লোকজন তাদেরকে তারা ধর্ষণ হয়েছে বলে হাসপাতলে ভর্তি করিয়েছেন। আমরা তাদের দুজনকে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি দিয়েছি এবং তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বাকিটা মেডিকেল রিপোর্টের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

correspent file sujon

প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ০৪ ভাদ্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮ জ্বিলহজ্ব ১৪৪১ হিজরি, বুধবার

 

92 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন