chandpur report 524

মতলব উত্তরে ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদসভা

মতলব উত্তর প্রতিনিধি :

চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ১০ নং ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আলমগীর হোসেন (আলম) এর বিরুদ্ধে স্হানীয় যুবলীগ নেতা আবু হাসানত গং কর্তৃক মামলা দায়ের করেন বলে জানান আলমগীর হোসেন।

কেন এ মিথ্যা মামলা করা হয় এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অঙ্গিকার করছেন গ্রাম হবে শহর, এ আলোকে গ্রামের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করার পরিকল্পনা করেন আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ, সে সুবাদে জনস্বার্থে একটি কাচা রাস্তা নির্মান করার অনুমোদন পায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে। রাস্তাটি ঠেটালীয়া নোয়াব পুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হইতে ফতেপুর পাকা সড়ক পর্যন্ত। ঐ রাস্তা করতে গেলে স্হানীয় যুবলীগ নেতা আবু হাসানাত সহ তার সাঙ্গ পাঙ্গরা কাজে বাধা প্রদান করলে স্হনীয় জন সাধারন তাদের দাওয়া করেন, আর আমি ঐ রাস্তার প্রজেক্ট চেয়ারম্যান হিসেবে কাজে আসি।

রাস্তার কাজে বাধা প্রদান কারীদের ব্যাপারে আমি চেয়ারম্যান সাহেবকে মুঠোফোনে অবগত করি। কাজে বাধা প্রদানকারী হাসানাতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পরিষদে ডেকে আনার জন্য গ্রাম পুলিশ খোকনকে পাঠান, কেন গ্রাম পুলিশকে পাঠালেন সে জন্য ক্ষিপ্ত হয়ে গ্রাম পুলিশ খোকনকে বেদরক মারধর করলে মারাত্ত্বকভাবে রক্তাক্ত জখম হয় গ্রাম পুলিশ।

দীর্ঘ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গ্রাম পুলিশ গং ও তো একটা মালার বাদী, আসামী পক্ষ হাসানাত গংরা তো এক জন ও জেল খাটেনী, একজন জনপ্রতিনিধি নিঃস্বার্থ ভাবে জনস্বার্থে কাজ করতে গিয়ে জেল খাটতে হল এ টা কোন আইন খুব বিনয়ের সহিত জানান ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন। মামলার বাদী নিলুফা বেগম, স্বামী আবু হাসানাত, মামলা নং ৪৮/২০২০, গত ৯ আগষ্ট মালার বিবাদী আলমগীর হোসেন আদালতে হাজির হয়। আদালত তাকে জামিন না দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করেন। ১৬ আগষ্ট আলমগীর হোসেন জেল থেকে জামিনে আসলে, গত ১০ আগষ্ট একটি প্রতিবাদ সভা করেন স্হনীয় ইউনিয়ন পরিষদ। ১৬ আগষ্ট আলমগীর হোসেন জেল থেকে মুক্তি লাভ করেন। মিথ্যা মামলায় জেল খাটার প্রতিবাদে ফতেপুর গ্রামের অসংখ্য লোক জন একত্রিত হয়ে একটি প্রতিবাদ মিছিল ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের বেশ কটি সড়ক প্রদক্ষিন করে ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ কম্পেলেক্স মাঠে এসে ঝড়ো হয়ে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন এলাকা বাসী। প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন স্হানীয় যুবলীগ নেতা আবু হাসানাত দলে অনুপ্রবেশ করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে, শুধু তাই নয়, তিনি পূর্বে কোথায় ছিলেন, কি করেছেন আদৌ আপনারা জেনেছেন কি, তিনি পূর্বে জামাত শিবির করতেন, তার বাবা কি করতেন, তিনি কোন এক সুযোগে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হন, এর ভার সহয্য করতে না পেরে যা খুশি তাই করেন, প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন, একজন জনপ্রতিনিধি, একজন নির্দোষ ব্যক্তি সরকারের ৪০ দিনের কর্ম সূচির কাজ করতে গিয়ে জেল খাটতে হয় এর কারন কি?

সে অন্যায় করলে জেল খাটুক তাতে কিছু আসে যায় না কিন্তু বিনা কারনে এর কিছু হলে জবাব দিতে হবে। আমরা জানি তিনি মিথ্যা মামলার শিকার, কিছু কুচক্রি মহল আবু হাসানের সাথে আতাত করে একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে জেল খাটিয়েছে,তাহা শুধু তাই করেন নি, সরকারি কাজে বাধা গ্রস্ত করেছে, ইউনিয়ন পরিষদ তথা এলাকার ভাবমূর্তিক্ষুণ্ন করেছে।

যারা বিনা কারনে একজন জনপ্রতিনিধি কে হয়রানী এবং তার মানহানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য কর্তৃ পক্ষের নিকট জোর দাবি জানাই। সভায় বক্তৃতা করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আজমল হোসেন চৌধুরী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হাজী শুকুর আলী,আওয়ামীলীগ নেতা দূদ মিয়া মজুমদার,ইউপি সদস্য বোরহানউদ্দিন মৌলভী, মনজুর আহমেদ, আঃ হালিম সরকার, কাজী মোস্তাক, খোরশেদ আলম, মহিলা সদস্য মর্জিনা বেগম, তাহমিনা আক্তার নিপা বক্তব্য রাখেন। এ ছাড়া আর ও গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গ যুব সমাজের লোক জন উপস্থিত ছিলেন।

130 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন