মনজুর আহম্মেদ কাজলের উদ্যোগে ১৫ আগস্টে নিহতের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

সফিকুল ইসলাম রানা, মতলব উত্তর প্রতিনিধি :

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ১৫ আগস্ট নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার জোহরের নামাজের পর দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মতলব উত্তর ছেংগারচর পৌরসভায় সুগন্ধি গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ এস.এম. মনজুর আহম্মেদ (কাজল) এর উদ্যোগে শুক্রবার বাদ জুম্মা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়। উক্ত মাহফিলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। মতলব উত্তর চাঁদপুর-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এড. নুরুল আমিন রুহুল ভাইয়ের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক আহŸায়ক এড. মহসিন মিয়া মানিক, আলহাজ্ব এবি ছিদ্দিকুর রহমান, মোঃ রাসেদ সরকার, আওয়ামীলীগ নেতা আল আমিন, যুবলীগ নেতা মোঃ সৈয়দ, মোঃ ইরফান উদ্দিন যুবলীগ নেতাসহ আওয়ামীলীগের অনন্যা নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৫ আগস্ট বাঙালির ইতিহাসে বেদনাবিধুর ও বিভীষিকাময় একটি দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংঘটিত হয়েছিল ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে সেনাবাহিনীর কিছু উচ্ছৃঙ্খল ও বিপথগামী সদস্য।

মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যারা ঘাতকদের নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছিলেন তাদের জন্য আজ বিশেষ দোয়া মাহফিলে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

শুক্রবার সুগন্ধি গ্রামের বায়তুল নূর রাঢ়ী বাড়ী জামে মসজিদে মিলাদ ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বাঙালি জাতির জন্য কলঙ্কজনক একটি দিন। বাঙালি জাতিকে পিছিয়ে দেয়ার জন্য কুচক্রী মহল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে।’

মতলব উত্তর ছেংগারচর পৌরসভার সুগন্ধি গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ এস.এম. মনজুর আহম্মেদ (কাজল) তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বলে গিয়েছিলেন, বাঙালি জাতিকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। নরপিশাচ কুলাঙ্গাররা জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করলেও বাংলাদেশের উন্নয়নকে দাবিয়ে রাখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যার হাত ধরে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মর্যাদার আসন দখল করেছে।’

এড. মহসিন মিয়া মানিক বলেন, ‘১৫ আগস্টের ঘাতকরা এতটাই নির্মম ছিল যে, তাদের হাত থেকে শিশু রাসেলও রেহাই পায়নি। সেদিন ঘাতকরা যাদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিল তারা সবাই ছিল নিষ্পাপ। আল্লাহ সবাইকে শহীদের মর্যাদা দিয়ে বেহেশতের সর্বোচ্চ স্থান দান করবেন।’

তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর একে একে ৪৫ বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু সব খুনিকে শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। রাষ্ট্রের কাছে আমাদের চাওয়া যেকোনো উপায়ে জাতির পিতার হত্যাকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। বিদেশে যারা পালিয়ে আছে, তাদের দেশে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে।’

155 জন পড়েছেন

Recommended For You

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়