chandpur report 459

হাইমচরে মারধরের পর প্রাথমিক শিক্ষককে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার অভিযোগ

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্বে চাঁদপুরের হাইমচরে প্রাথমিক স্কুলের এক শিক্ষককে মারধরের পর গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

গত রবিবার (৯ আগস্ট) হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী ইউনিয়নে পাড়া বগুলা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

ঘটনার পর ৫৪নং উত্তর পাড়া বগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক মকবুল হোসেন তার বড় ভাই সরদার শফিকুর রহমানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরেই এই দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ চলছে। সর্বশেষ ৯ আগস্ট সকালে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে বড়ভাই শফিকুর রহমানের ছেলের গায়ে পানির গ্লাস ছুড়ে মারেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মকবুল হোসেন (রুবেল)। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোলার দিয়ে কয়েকটি আঘাত করে মকবুলকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘটনার পর ৭ জনের বিরুদ্ধে হাইমচর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। মকবুল অভিযুক্তরা হলেন তার ছোট ভাই আলমাস সরদার, বড় ভাই শফিকুর রহমান, ভাতিজা নবাব শরীফ শুভ, নেওয়াশ শরীফ নয়ন, ইয়াসমিন পম্পী, শান্তা ইয়াসমিন, সকিনা বেগম বিউটি।

এ ব্যাপারে মকবুল হোসেন বলেন, আমার বড় চার ভাই এবং ছোট ভাই আমাকে এর আগেও ৩-৪ বার মারধর করেছে। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার না করলে তারা আমাদেরকে মেরেই ফেলতো। মারধরের পর তারা আমাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। তারা বলে, আমি নাকি পাগল।

অভিযুক্ত শফিকুর রহমান বলেন, রুবেল একটা পাগল। মাঝে মাঝে পাগলামি করে। রুবেল মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতো তাই বেধে রেখেছিলাম।

এ বিষয়ে হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের কাছে একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে আমরা ব্যবস্থা নেব। সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

119 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন