চাঁদপুরের কচুয়ার যুবক আমান উল্লাহর উত্থানে মিডিয়া তোলপাড়

মিজানুর রহমান রানা :

যুবকের নাম আমান উল্লাহ। তাঁর বাড়ি চাঁদপুর জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল কচুয়ায়। তিনি এমন এক যুবক, যার সাফল্য এখন চাঁদপুরের কচুয়া ছেড়ে দেশের সাফল্যতম মানুষের মুখে মুখে। কিন্তু তিনি কী করেছেন?

কীভাবে তিনি সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে এতোটা উপরে উঠলেন যে, তাকে নিয়ে আজকের বাংলাদেশর প্রথমতম অবস্থানে অবস্থানকারী মিডিয়া তোলপাড়।

আসুন জেনে নেই মিডিয়া তোলপাড় হলো কেন? আর আমান উল্লাহই বা কী করেছেন।

বারো বছর বয়সে আমান উল্লাহ কচুয়া থেকে কাজের প্রয়োজনে ঢাকায় আসেন। তখন সময় ২০০৩ খ্রি.। তখন তিনি কাজ করার সুযোগ পান ঢাকার একটি খেলনা তৈরির কারখানায়। যেখানে শিশুদের বিনোদনমূলক খেলনা তৈয়ারি করা হতো। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে ভালোভাবে শিখে নেন খেলনা তৈরির নানা কলাকৌশল।

এরপর তিনি সতেরো বছর বয়সে জমানো কিছু টাকা, মা ও বোনের গয়না বিক্রি এবং প্রবাসে থাকা বাবার পাঠানো টাকা দিয়ে ছোট আকারে খেলনা তৈরির কারখানা চালু করেন। শুরুতে তার সব মিলিয়ে সম্বল ছিল নব্বুই হাজার টাকা। এরপর আর তাকে পেছনের দিকে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন তার কারখানায় ৮শত কর্মচারী কাজ করে। পূর্বের সময়টাতে চায়নার খেলনা দিয়ে বাংলাদেশের বাজার ভরপুর থাকতো। আর এখন বাংলাদেশের বাজারের আশি ভাগ খেলনাই তার তৈরি। তার এখনকার বিক্রি ২৫ কোটি টাকার মতোন।

আমান উল্লাহ জানান, এখন তার ৪টি কারখানা। কামরাঙ্গীরচরের দুটি কারখানা, কেরানীগঞ্জে ও পুরান ঢাকায় একটি করে কারখানা রয়েছে। তিনি বলেন, এসকল খেলনা বাংলাদেশে বিক্রির পাশাপাশি ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদিতে রপ্তানি নিয়েও আলোচনা চলছে।’

তার কারখানায় অনেক শ্রমিক কাজ করছে। উৎপাদন ও বিক্রিও প্রচুর হচ্ছে। তিনি বলেন, পণ্যের মানে কোনো ছাড় দেওয়া হয় না। চীনের মতো পণ্য তৈরি করেন তারা। এখন বাংলাদেশের প্রায় সব এলাকায় তার তৈরি খেলনা বিক্রি হয়। তিনি তার মেধা, পরিশ্রমে আজ সফল। তার উত্থানে তাই মিডিয়া তোলপাড়।

আমরা খবরের বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাসী, চাঁদপুর রিপোর্ট গুজব প্রচার করে না

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রি. ০৬ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ০৩ সফর ১৪৪২ হিজরি, সোমবার

79 জন পড়েছেন

Recommended For You

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়