ফরিদগঞ্জ পৌরসভায় নৌকা প্রতীকের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন মিয়াজী

মো. আনিছুর রহমান সুজন :

ফরিদগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনের নৌকা প্রতীকের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের নির্বাচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন মিয়াজী।

মোঃ ইকবাল হোসেন মিয়াজির পড়াশোনা বিকম অনার্স, ব্যবস্থাপনায় মাস্টার্স। একজন পরিছন্ন রাজনৈতিক কর্মী। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা গড়ার একজন নিবেদিতপ্রাণ। সাবেক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ফরিদগঞ্জ শাখার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, ফরিদগঞ্জ পৌরসভা আওয়ামী লীগ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য, চাঁদপুর জেলা যুবলীগের সম্মানিত সদস্য।

মো ইকবাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। পিতা সিরাজ মিয়া বৃহত্তর কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, তৎকালীন চাঁদপুর মহকুমা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ফরিদগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু যে সংগ্রাম কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন তারই আলোকে ফরিদগঞ্জ থানার পাঁচ সদস্যের সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক মনোনীত হন তিনি। ফরিদগঞ্জ এ আর হাইস্কুল প্রাঙ্গণে মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধের প্রাথমিক ট্রেনিংয়ের উদ্যোগও নেন তিনি। ২৬ শে মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার পর দীর্ঘ নয় মাস বীরদর্পে রণাঙ্গনে লড়াই চালিয়ে যান পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে।

৭৫ এর ১৫ ই আগস্ট স্বপরিবারে জাতির জনকের নির্মম হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে গ্রেফতার হন বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ মিয়া। ডিটেনশনে কুমিল্লা কারাগারে বহু দিন কারাভোগের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেই অসুস্থতাই তাঁকে ১৯৯২ সালের ২৮ শে আগস্ট মৃত্যু পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।

সিরাজ মিয়ার বড় জামাতা– মোঃ ইকবাল হোসেনের বড় ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল বারী মিয়াজী ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। দু দিনে আওয়ামী লীগের কান্ডারী ছিলেন এই আব্দুল বারী মিয়াজী। যিনি সততা নিষ্ঠা আর দলের প্রতি অপরিসীম আনুগত্যে সর্বোপরি নিজের আচার-আচরণ ও ভালোবাসায় ফরীদগঞ্জবাসির হৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন। তাই তো বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল বারী মিয়াজীকে আজও ফরিদগঞ্জের আপামর জনসাধারণ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।

মোঃ ইকবাল হোসেনের ভাই নূর হোসেন বলাই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মাত্র ৭, ৮ বছর বয়সে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে আটক হন। সন্তানকে আটক করে সিরাজ মিয়াকে আত্মসমর্পণের জন্য পাক হানাদার বাহিনী বারংবার চাপ দিলেও, সিরাজ মিয়া তাদের কাছে নতি স্বীকার করেন নাই সেদিন। সেই নূর হোসেন বলাই পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ অলংকৃত করেন। সকল স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে একজন অগ্রজ সৈনিক ছিলেন তিনি। আজও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার একজন সৈনিকরূপে লড়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক কর্মী, স্বৈরাচারবিরোধী সকল আন্দোলনে রাজপথের লড়াকু সৈনিক, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে নির্ভীক এই কর্মী মোঃ ইকবাল হোসেনকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ফরিদগঞ্জ পৌরসভা মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে ফরিদগঞ্জ পৌরবাসী নিশ্চয়ই উপকৃত হবে।

আমরা খবরের বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাসী, চাঁদপুর রিপোর্ট গুজব প্রচার করে না

২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রি. ০৫ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ০২ সফর ১৪৪২ হিজরি, রোববার

129 জন পড়েছেন

Recommended For You

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়