chandpur report 572

ওটারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে

সফিকুল ইসলাম রানা :

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ওটারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা মহামারি করোনার কারনে টাকা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

সরকার করোনার কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রাখার স্বার্থে স্বল্প সিলেবাসে সংক্ষিপ্ত ভাবে বাড়িতে বসে পরীক্ষা ব্যবস্থা করেছেন। এজন্য শিক্ষার্থীদের থেকে কোন প্রকার টাকা গ্রহণ নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু উপজেলার ওটারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন প্রশ্ন বা এস্যাইনমেন্ট/মূল্যায়নপত্র দেওয়ার খরচের নামে ও টিউশন ফি বাবদ অতিরিক্ত পর্যায়ে টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এক ভূক্তভোগী উপজেলার মৈশাদি গ্রামের আয়েত আলী প্রধানের ছেলে সাকিল প্রধান এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওটারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী সম্পা, রোলনং১৬৮ ও নবম শ্রেণির ছাত্রী নাছরিন রোলনং ১ আপন বোন। তারা কেউ উপবৃত্তি পায়না। তাছাড়া তাদের পরিবারও অসচ্ছল। এই ২ জনের টিউশন ফিসহ অন্যান খরচ মিলিয়ে ৩ হাজার ৬শ টাকা হয়েছে । সম্পার ১৪শ আর নাছরিনের ২ হাজার ২শ টাকা।

আমি কিছু টাকা কম দিতে চাইলে মোয়াজ্জেম স্যার তা মানেনি। সম্পার ১৪ শ টাকার মধ্যে ১ হাজার টাকা দিয়ে এস্যাইনমন্টে নিয়েছি। আনার কাছে রশিদ আছে। আরও ৪শ টাকা বাকী আছে। নাছরিনের টাকা দেইনি বলে এসাইনমেন্ট দেয়নি।

এ বিষয়ে ওটারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে মোবাইলে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন,আমি এ্যাসাইমেন্টের নামে কোন টাকা আদায় করিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.আব্দুল কায়ুম খান জানান, ওটারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে
টাকা আদায় করার অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বৃত্তিতে ঘটনাস্থলে যাই।

শিক্ষকদের নিয়ে মিটিং করে টাকা না নেওয়ার ব্যাপারে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ টাকা আদায় করে থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

103 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন