chandpur report 571

মোটরসাইকেল-অটোবাইক চুরি : অতিষ্ঠ সাংবাদিক-শিক্ষক-অটোচালকরা

সফিকুল ইসলাম রানা :

চাঁদুপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় গত কয়েক দিন যাবত বেড়ে চলছে মোটরসাইকেল ও অটোবাইক চুরির হিড়িক। সম্প্রতি এ উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যাবসায়ী, অটোচালকসহ সকল পেশার মানুষ। মোটরসাইকেল রেখে দোকানে বা কাজে গেলে ফিরে এসে তা আর পাওয়া যায়না। মূহুর্তের মধ্যে দিন দুপুরে উধাও হয়ে যায় বাইক।

গত ৩০ অক্টোবর থেকে ৮ নভেম্বর রাত পর্যন্ত ৪টি মোটরসাইকেল ও ৩ টি অটোবাইক চুরি হয়েছে।

প্রতিনিয়ত মোটরসাইকেল ও অটোবাইক চুরির ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। তবে চুরি ঠেকাতে থানা পুলিশ সক্রিয় থাকলেও এক্ষেত্রে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে চোরচক্র। বিভিন্ন পদ্ধতিতে তারা বিভিন্ন স্থান হতে মোটরসাইকেল ও অটোবাইক নিয়ে যাচ্ছে অহরহ।

গত ৩০ অক্টোবর দুপুরে মতলব উত্তর উপজেলার সুজাতপুর বাজার থেকে থেকে সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশার একটি মোটর সাইকেল চুরি হয়। সেই চুরির রেশ না কাটতেই গত ২ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় দাসের বাজার সংলগ্ন মুন্সিকান্দি রাস্তার সামনে থেকে চুরি হয় আরেকটি মোটরসাইকেল।

চুরি হওয়া মোটরসাইকেলের মালিক আল-আমীন এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের করেন।

পরের দিন ৩ নভেম্বর রাতে চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবুল বাশারের ঘর থেকে আরেকটা মোটরসাইকেল চুরি হয়। একই রাতে শিকারী কান্দি আকবরিয়া উচচ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রেহান উদ্দিনের ঘর থেকে আরেকটা মোটরসাইকেল চুরি হয়।

সম্প্রতি আনন্দ বাজারের ব্যাবসায়ী রনির মোটরসাইকেল চুরির পর এলাকাবাসী টের পেলে মোটরসাইকেল রেখে চোর পালিয়ে যায়।

গত ৮ নভেম্বর রবিবার রাতে ব্রাহ্মণচক গ্রামে সুলতান মাহমুদ মিয়ার একটি ঘরে চার্জ থাকা অবস্থায় ৩টি অটোবাইক চুরি হয়েছে।
পুলিশ সক্রিয় থাকার পরও থেমে নেই চোর চক্র। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ধারণা এই চোরদের পিছনে শক্তিশালী চক্র কাজ করছে।

মতলব উত্তর থানা অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দীন মৃধা জানান, চুরি হওয়া গাড়ি ও চোরদের ধর‍তে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কয়েকদিন আগে বেশ কয়জন মোটরসাইকেল চোরকে ধরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

85 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন