ফরিদগঞ্জে লাইসেন্সবিহীন করাতকলগুলোর সড়কে গাছের গুঁড়ি রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট  :
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে লাইসেন্স বিহিন করাত কলগুলোর দৌরাত্ম্য দিনদিন বেড়েই চলছে। চাঁদপুর-রায়পুর মহাসড়ক, ফরিদগঞ্জ- রুপসা সড়ক, গাজিপুর-গল্লাক সড়ক, গৃদকালিন্দিয়া – সাহেবগঞ্জ সড়কসহ বহু সড়কের দু‘ পাশে গড়ে উঠেছে করাত কলগুলো।

করাত কলগুলোর অধিকাংশের লাইসেন্স নেই। করাত কলগুলোর সম্মূখে গাছের গুঁড়ি রেখে যানবাহন চলাচলে বিঘœতার সৃষ্টি হচ্ছে বলে পথ চারিরা জানান। প্রায়ই দূর্ঘটনা ঘটছে গাছের গুঁড়ির কারণে। প্রশাসনের নাকের ডগায় এ সব করাত কল লাইসেন্স বিহিন চললেও আইনানুগ ব্যবস্থা তেমন দৃশ্যমান হচ্ছেনা।

সম্প্রতি গত মঙ্গলবার চাঁদপুরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. উজ্জল হোসেন সওজ ও বন বিভাগের লোকজন নিয়ে চাঁদপুর- লক্ষèীপুর মহাসড়কের ফরিদগঞ্জ বাস ষ্ট্যান্ড ও রুপসা- ফরিদগঞ্জ সড়কে ৪টি করাত কলকে নিয়ম ভঙ্গের দায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়সহ কঠোর সর্তক করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় গাছের কয়েকটি গুঁড়ি অপসারন করলেও ম্যাজিষ্ট্রেট চলে যাওয়া মাত্র পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। সড়ক ও মহাসড়কের উভয় পাশে ৩ ফিট দূরত্বে রাখার বিধান থাকলেও করাতকল গুলো আইকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শণ করে চলছে।

নিয়ম বর্হিভত ২৪ টি মধ্যে রয়েছে, নাছির উদ্দিন, গোলাপ নবী সর্দার, সিরাজুল ইসলাম,নূর হোসেন,খোকন,আমিরআলী গাজী,ছালামত,খলিলুররহমান,জাহাঙ্গির হোসেন,হুমায়ূন,ছলেমান, নেয়মত মো: খায়ের মো: নাজির মিয়ার করাত কল প্রমুখ।

চাঁদপুরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো: উজ্জল হোসেন জানান, সড়কে গাছের গুড়ি রেখে বিঘœতা সৃষ্টি করা করাত কল ও লাইসেনস্ বিহিন করাত কলগুলোতে অভিযান অব্যাহত থাকবে । আমার তালিকায় ২৪টি লাইসেন্স বিহিন করাত কল রয়েছে তাদের প্রত্যেকটিতেই অভিযান চলবে। সর্তকতা না মানলে আরো কঠোর অর্থদন্ডসহ জেল দেওয়া হবে। আইন ভঙ্গ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি জানান, চলমান মোবাই কোর্ট অব্যাহত থাকবে।কোন ভাবেই নিয়মনীতি ভঙ্গের সুযোগ দেওয়া হবে না। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সড়কের পাশের্র গাছের গুঁড়িগুলো অপসারণে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়