chandpur report 1849

চিকিৎসার নামে নারী রোগীর আপত্তিকর স্থানে হাত ও যৌনতার চেষ্টা

চাঁদপুরে চক্ষু চিকিৎসক ডাঃ সফিউল আলমের কান্ড

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট : চাঁদপুরের চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মুকিত শফিউল আলমের বিরুদ্ধে নারী রোগীর সাথে অশ্লীলতা করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পাওয়া গেছে। ১৪ মার্চ রোববার দুপুরে চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার এলাকার নিজস্ব বাস ভবনের নিচে তার চেম্বার এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে কয়েক ঘন্টা যাবৎ ডাক্তার এবং রোগী ও রোগীর লোকজনের সাথে অনেক হট্টগোল হতে দেখা যায়। ঘটনার পর পর সেখানে প্রত্যক্ষদর্শীরা ভিড় জমান।

জানাযায়, রোববার সকালে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে উপজেলা থেকে ইন্টারে পড়ুয়া এক কলেজছাত্রী তার মাকে নিয়ে মুকিত শফিউল আলমের কাছে তার চোখের সমস্যা জনিত কারণে ডাক্তার দেখাতে যান। এরপর ওই চিকিৎসক তাকে বেশ কয়েক ঘণ্টা বসিয়ে রেখে তার চোখে ড্রপ দিয়ে কক্ষে বসিয়ে রাখেন। এর কিছুক্ষন পর ওই চিকিৎসক তার সাথে অশ্লীলতা শুরু করেন।
ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী কান্নায় জড়িত কণ্ঠে জানায়, আমি আমার চোখের সমস্যার কারনে আমার মা,কে নিয়ে সকালে ডাক্তার মুকিত শফিউল আলমের কাছে আসি।

এরপর তিনি আমাকে প্রায় দুই ঘন্টা যাবৎ বসিয়ে রাখেন। একসময় তিনি আমাকে চোখের ড্রপ দিয়ে রুমে হাঁটাচলা করিয়ে রুমের দরজা বন্ধ করে আমাকে দেখবে বলে তার পাশে নিয়ে বসান। তখন তিনি আমাকে চিকিৎসাসেবা দেয়ার নামে আমার হাত নিয়ে তার রানে রাখেন এবং আমার মুখ টেনে নিয়ে আমার ঠোঁট দুটি তার গালে স্পর্শ করেন। আমি নিরুপায় হয়ে বেরিয়ে যেতে চাইলে তিনি আমাকে আবার হাত টেনে পুনরায় তার রুমে বসানোর চেষ্টা করলে আমি চিৎকার দিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে দৌড়ে বাহিরে পালানোর চেষ্টা করি। তখন আমার মা সহ আশে পাশের লোকজন বিষয়টি জানতে পারেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কলেজ ছাত্রীর মাতা জানান, ওই চক্ষু চিকিৎসক আমার মেয়ের চোখের সমস্যা দেখবে বলে বেশ কয়েক ঘন্টা আমাদেরকে বসিয়ে রেখেছেন। এবং তিনি আমার মেয়ের চোখের ড্রপ দিয়ে দরজা আটকে আমার মেয়ের চিকিৎসা সেবা করার নামে তিনি এই অপকর্ম করেছেন। এর আগে তিনি আমাকেও চোখের সমস্যা আছে বলে আমার চোখে ড্রপ দিয়েছেন। আমি বাইরে আমার মেয়ের জন্য অপেক্ষা করছিলাম হঠাৎ আমার মেয়ের চিৎকার শুনে এসে জানতে পারি তিনি তার সাথে এসব অশ্লীল আচরণ করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক মুকিত শফিউল আলম বলেন, আমি তার চোখের চিকিৎসা সেবা করছিলাম। তারা আমার নামে যেসব অভিযোগ তুলছে তা মিথ্যে বানোয়াট। আমি তার সাথে এমন আচরণ করিনি।

তিনি আরো বলেন, সে যে তার মায়ের অজান্তে একটি মোবাইল ব্যবহার করে, সেটি তার মাকে না বলার অনুরোধ করে সেই বিষয়ে সে আমার সাথে কথা বলছিল।

শেয়ার করুন