chandpur report 19843

ফরিদগঞ্জ দ. ইউনিয়নে জেলা পরিষদের ঘাটলা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ হামলা : আ’লীগ নেতা আহত

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি :
ফরিদগঞ্জে জেলা পরিষদে কর্তৃক বরাদ্দকৃত পুকুর ঘাটলার কাজে অনিয়মে অভিযোগে হামলা শিকার হয়েছে আ’লীগের নেতা লিটন পন্ডিত (৫৫)। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ চরবড়ালী গ্রামের সেকান্তর পন্ডিত বাড়িতে।

সরজমিন গিয়ে জানাযায়, দক্ষিণ চরবড়ালী গ্রামের সেকান্তর পন্ডিত বাড়িতে জেলা পরিষদে বরাদ্দকৃত পুকুরে ঘাটলা নির্মান কাজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপন কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে।

সেই ঘাটলার নির্মান কাজে অনিয়মের অভিযোগে তোলে ঐ বাড়ি বাসিন্দারা।
সেই অভিযোগ কে কেন্দ্র করে গত ১৮ এপ্রিল বাড়ির লোকজনের সাথে ঘাটলার নির্মান শ্রমিকদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। সেই সময় চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপন বিষয়টি সমাধান করবে বলে সকলকে আশ্বাস দেন।

কিন্তু তিনি তা সমাধান না করে উল্টো তার লোক দিয়ে পরের দিন রাত আনুমানিক ১০টার সময় পন্ডিত বাড়ির লিটন পন্ডিত স্থানীয় কালির বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে তার উপর চেয়ারম্যানের পালিত সন্ত্রাসী দিয়ে হামলা চালায়।

এসময় আনুমানিক ২০/২৫ জন লোক লোহার রড ও পানির পাইপ দিয়ে ব্যাপক মারধর করে বলে জানা গেছে। এই সময় লিটনের ডাক চিৎকার শুনে আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে দেয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

আহত লিটন পন্ডিত বলেন, জেলা পরিষদে বরাদ্দকৃত পুকুর ঘাটলার কাজে ব্যাপক অনিয়ম রয়েছে তা দেখে আমাদের বাড়ির লোকজন ইব্রাহিম পন্ডিত ও আমার ছেলে মামুনসহ তাদের কে কাজ সম্পর্কে জানতে চায়। এতে করে পুকুর ঘাটে কাজ করা নির্মান শ্রমিকরা তাদের উপরে ক্ষুব্ধ হয়ে যায়। তাদের কে মারধর করবে বলে হুমকি দেয়।

আমি বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপন কে জানালে তিনি সমাধান করবে বলে আশ্বাস দেন।

কিন্তু তিনি তা না করে তার পালিত লোক জন দিয়ে আমার ছেলেসহ বাড়ি লোকজনকে ব্যাপক মারধর করবে বলে পুনরায় হুমকি প্রধান করে। পরে তারা আমাদের দোকানের কাছে এসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে আমার ছেলে সহ আমাকে খোজ করে।

পরে দিন রাতে আমি কালির বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আমাকে একা পেয়ে সোহেল, রাজু ও রায়হানসহ ২০/২৫ জন লোক আমাকে বেধড় মারধর করে। পরে আমার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কাজে অনিয়মের বিষয় ডাক দেওয়া কি আমাদের অপরাধ ছিলো। আমরা এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, ঘাটলার কাজে অনিয়ম দেখে আমরা বাড়ির লোকজন মিলে তাদের কে ডাক দিয়ে থাকি কিন্তু তারা উল্টো আরো আমাদের চোখ খুলে দিবে মারবে বলে হুমকি দিয়ে থাকে।

তারা সকলে হল চেয়ারম্যানের লোকজন। তারা বাড়ির সামনে দোকানের কাছে লোকজন মারবে বলে ঐৎ পেতে থাকে। কাউকে না পেয়ে লিটন পন্ডিত একা পেয়ে তারা মারধর করে। মাথা পাটিয়ে দেয় এবং শরীরের ভিবিন্ন স্থানে রড দিয়ে মারে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে।

এবিষয়ে ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপনের সাথে যোগাযোগ করা চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি। মুটোফোনে যোগাযোগ করা চেষ্টা করে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তার ব্যবহারিত মোবাইল নাম্বার 01712600821

10 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন