chandpur report 1970

বিতর্কিত ইউরোপীয় সুপার লীগের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

বিতর্কিত ইউরোপীয় সুপার লিগের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ছিলেন বার্সেলোনার বিদায়ী সভাপতি হোসে মারিয়া বার্তোমিউ। ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলোর যোগসাজশে গেল কয়েক বছর ধরেই এ প্রজেক্ট বাস্তবায়নে সচেষ্ট ছিলেন তিনি।

এমনই এক তথ্য প্রকাশ পেয়েছে বিশ্ব গণমাধ্যমে। তবে, য়্যুভেন্তাস সভাপতি আন্দ্রেয়া অ্যাগনেলির সঙ্গে জোট বেঁধে বার্তোমিউ যে অননুমোদিত সুপার লিগ আয়োজনে তৎপর হয়ে উঠেছিলেন, তা সেসময় বানচাল করে দিয়েছিল উয়েফা।

প্রতিষ্ঠিত আসর, প্রতিষ্ঠিত ক্লাব, এতো এতো বাজেট, এতো জনপ্রিয়তা। সমর্থকরা হয়তো ঘুণাক্ষরেও টের পাননি, এসবের পেছনেও রয়েছে আঁধার! সে আঁধার ঘরেই হয়েছে মিটিংয়ের পর মিটিং। সাজানো হয়েছে ক্লাব ফুটবলের গতিবিধি পাল্টে দেওয়ার এক মহাপরিকল্পনা।

বিদ্রোহী লিগের আইডিয়ার নেপথ্যে ছিলেন কারা? মূল হোতা হিসেবে সামনে আসছে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের নাম। কিন্তু, অর্থের খেলায় রিয়াল মাদ্রিদ সভাপতি সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন আরেক হেভিওয়েট ব্যক্তিকে। বার্সেলোনার বিতর্কিত সাবেক সভাপতি হোসে মারিয়া বার্তোমিউ। গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যাকে প্রতারক হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন স্বয়ং লিওনেল মেসি। ছেড়ে যেতে চেয়েছিলেন ভালোবাসার ক্লাবকেও।

২০১৫-১৬ মৌসুম থেকেই সুপার লিগ বাস্তবায়নে উদ্যোগী ছিলেন বার্তোমিউ। য়্যুভেন্তাস সভাপতি আন্দ্রেয়া অ্যাগনেলির সঙ্গে গোপনে সেরে ফেলেছিলেন পেপার ওয়ার্ক। কিন্তু, উয়েফা, ফিফা আর ইউরোপীয় ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের হস্তক্ষেপে তখন তা ধোপে টেকেনি।

তবে, সেসময় ধামাচাপা পড়লেও প্রজেক্ট নিয়ে গোপনে ঠিকই কাজ করে গেছে চক্রটি। যা আরও গতিশীল হয় বার্তোমিউ আর অ্যাগনেলির সঙ্গে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ যোগ দিলে। ২০১৮ সালে উয়েফার অর্থ বন্টন মনঃপুত না হওয়ায়, নিজেদের সুবিধামতো নতুন লিগ আয়োজনে বেপরোয়া হয়ে ওঠে তারা। যা চূড়ান্ত করা হয় করোনা মহামারি শুরু পর ২০২০-এ।

বার্তোমিউয়ের পদত্যাগের পর একই পথে হেঁটেছেন হোয়ান লাপোর্তাও। মারাত্মক সংকটের মাঝে মোটা অঙ্কের অর্থের সন্ধান পেয়ে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে দেরি করেননি বার্সার নতুন সভাপতি। জোটের অধিকাংশ সদস্য প্রজেক্ট থেকে সরে দাঁড়ালেও, এখনও অপেক্ষায় আছে বার্সেলোনা। এখনও নাকি নতুন কোনো অর্থ চুক্তির বিষয়ে উয়েফার সঙ্গে সমঝোতার স্বপ্ন দেখছে স্প্যানিশ ক্লাবটির হর্তাকর্তারা।

শেয়ার করুন