Health logo

ব্রণের চিকিৎসা

ব্রণমুক্ত সুন্দর ত্বক সবার প্রত্যাশা। তবে দূষণ ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে ত্বকের সতেজতা ধরে রাখা কঠিন।

এ ছাড়া ঠাণ্ডায় ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে যায়। হিম হিম ঠাণ্ডা হাওয়ার কারণে ত্বকে রুক্ষ, শুষ্ক, টানটান ভাব আসে। এ কারণে অনেকের ত্বকের ক্ষতি হয়ে যায়। ত্বক রুক্ষ ও অনুজ্জ্বল হওয়া ছাড়াও ব্রণ ও অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে।

আসুন জেনে নিই ত্বকের যত্নে কী করবেন-

১. যেসব খাবার খেলে ব্রণ, অ্যালার্জি বা একজিমা বেড়ে যায়, সেসব খাবার এড়িয়ে চলুন। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে ডায়েট প্লান করুন।

২. দুগ্ধজাতীয় খাবার, মসলাদার ও তৈলাক্ত খাদ্য ব্রণের কারণ হতে পারে। এ ছাড়া প্রক্রিয়াজাত খাবার ও চিনিযুক্ত খাবার পরিমাণে কম খেতে হবে। ব্রণ দূর করার জন্য শাকসবজি বেশি খাওয়াটা জরুরি। এ ছাড়া চাহিদামাফিক পানি পান করুন।

৩. ত্বকের সুরক্ষায় ভিটামিন ডি খুবই প্রয়োজন। সূর্যের আলোতে পাবেন ভিটামিন ডি। প্রতিদিন সকালে গায়ে রোদ লাগালে ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণ হবে। স্যালমন, সারদিন, টুনা ও ম্যাককেরেল মাছ, মাশরুম ও ডিমে পাবেন ভিটামিন ডি।

৪. ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে মাঝে মাঝে মুখে পানির ঝাপটা দিন। সহজে ত্বক শুষ্ক হবে না। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

৫. ব্রণের সমস্যা বেশি মারাত্মক হলে নিম্নে বর্ণিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না ও ত্বকে ব্যবহার কবেন না।

মুখমণ্ডলে ব্রণের অভিজ্ঞতা হয়নি এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীরা মুখের ব্রণ নিয়ে খুবই অস্বস্তিতে থাকে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা হাঁতুড়ে কিংবা চিকিৎসক নন এমন কারও পরামর্শে ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খান। এতে হিতে বিপরীত হয়। ব্রণ বেড়ে অনেক সময় মুখে স্থায়ী দাগ পড়ে যায়।

সঠিক চিকিৎসায় ব্রণ ভালো হয়। বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসায় ব্রণ দূরে লেজার ট্রিটমেন্ট জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কিন্তু এখনো অনেকে লেজার ট্রিটমেন্ট সম্পর্কে খুব একটা জানেন না।

ব্রণের চিকিৎসায় লেজার ট্রিটমেন্ট কার্যকর। কিন্তু আমাদের কাছে এটি দূরে বিকল্প অনেক চিকিৎসা রয়েছে। সেগুলো কাজ না দিলে চূড়ান্ত পর্যায়ে লেজার ট্রিটমেন্ট দেই। লেজারে আমরা যে সব জিনিস কিল করতে পারি, এন্টিবায়োটিক দিয়েও তা করা সম্ভব। এন্টিবায়োটিকের পর আমরা ত্বকের উপরিভাগ কোমল করার জন্য লেজার ব্যবহার করি।

কেরাটিনাস প্রাগগুলো সাকশন দিয়ে পরিষ্কার করার জন্যও লেজার ব্যবহার করা হয়। ট্রিটমেন্ট নির্ভর করে আসলে কার কী দরকার, তার ওপর। ত্বকের ধরন, চামড়ার মান, রোগীর বয়স, তার পেশা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয়।

চিকিৎসা নিয়ে ব্রণ সেরে যাচ্ছে, কিছুদিন পর আবার হচ্ছে। এক্ষেত্রে  পরামর্শ— সাধারণত টিনএজে এমন হয়। এ সময় ব্রণ পার্চিস্ট করে। পার্চিস্টেন একনি অথবা আমরা বলি লেইট একনি, ৪১ বছর বয়সেও ভালো হচ্ছে না। এমন হলে আমরা কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখি। মেয়েদের ক্ষেত্রে ব্রণের সাথে হার্সটিজম থাকে, ফেসিয়াল রেয়াল গ্রোথ হয়। ওজন বেশি হলেও এমন সমস্যা দেখা দেয়।

অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। আমরা আল্ট্রাস্নো স্ক্যান করে তার পলিসিস্টিক ওভারিয়ান রোগ আছে কিনা নিশ্চিত হই। কারণ পলিসিস্টিক ওভারিয়ান রোগ থাকলে অনেক বয়সে গিয়েও ব্রণ হয়। এ সময় ব্রণ আনুষঙ্গিক আরও কিছু সমস্যা তৈরি করে। যেমন, হার্সটিজম থাকতে পারে, ব্লাড সুগার আইজিটি থাকতে পারে, ডায়াবেটিসের আগে ধাপটা নরমাল এবং ডায়াবেটিসের মাঝামাঝি ধাপটা ইম্পেয়ার গ্লুকোজ টলারেন্স হতে পারে। আমাদের এ ধরনের রোগীকে একটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে হয়। কারণ সাধারণ ওষুধে ব্রণ ভালো হয় এমনকি ওষুধ ছাড়াও ব্রণ সেরে যায়।

সারাদেশে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে কুরিয়ার যোগে অর্ডার অনুযায়ী ঔষধ পাঠানো হয়। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।

ibn sina health care dr hakim

Dr. Mizanur Rahman (DUMS)

Ibn Sina Health care, Hazigonj, Chandpur.

Mobile.

01834-880825

01762240650 (হোয়াটস অ্যাপ, ইমো)

01777988889 (হোয়াটস অ্যাপ, ইমো)

 

শেয়ার করুন

36 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন