marrige

হঠাৎ ফোন, হাজীগঞ্জে ২২ দিনের জন্য আটকে গেল ইয়াসমিনের বিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

পাশের গ্রামেই বিয়ে ঠিক হয়েছিল ইয়াসমিনের। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। রান্নাবান্নাও শেষ। বর নিয়ে মেহমান আসার অপেক্ষা। তখনি ফোন আসে ইয়াসনিনের বাবা ইলিয়াসের মুঠোফোনে। স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর জানালেন মেয়ের বিয়ের বয়স হয়নি। ইয়াসমিন হাজীগঞ্জ পৌরসভার দক্ষিণ টোড়াগড় গ্রামের ইলিয়াসের মেয়ে। জন্ম নিবন্ধনে এখনো ২২ দিন কম। বিয়েটি হলে তা হবে বাল্য বিয়ে।

১৫ জুন (মঙ্গলবার) চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার দক্ষিণ টোরাগড় গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে ।

তাই ইয়াসমিনের বাবা-মাকে পৌরসভায় ডেকে পাঠালেন স্থানীয় প্রশাসন। অবশেষে হাজীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সানজিদা মজুমদার ওই বাল্য বিয়েটি বন্ধ করে দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সানজিদা মজুমদার বলেন, হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার দক্ষিন টোড়াগড় গ্রামের ইলিয়াছ মিয়ার মেয়ে ইয়াসমিন আক্তারের বিয়ে পাশ্ববর্তি গ্রামের এক যুবকের পারিবারি ভাবে ঠিক হয়। সোমবার বিকালে তাদের বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল।

বিষয়টি জানতে পারেন হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার এবং তিনি আমাকে ও আমাদের বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ কমিটি স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে অবহিত করেন এবং ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন ।

এক পর্যায়ে ইয়াসমিনের পরিবারকে পৌরসভায় ডেকে ওই বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় । ইয়াসমিনের জন্মনিবন্ধনে ২২ দিন কম থাকায় এ বিয়ে বাল্য বিয়ের আওতায় পড়ে। সেজন্য ওই বিয়ে বন্ধ করে আগামী একমাস পর বিয়েটি সম্পন্ন করার পরমর্শ দিয়ে ইয়াসমিনের বাবার অঙ্গীকারনামা রাখা হয়।

হাজীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সানজিদা মজুমদার অরো বলেন, আমাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোমেনা আক্তার বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে বদ্ধপরিকর। আমরা এবং আমাদের বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ কমিটি বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করছে।

 

20 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন