ভাড়া বাড়ানো

করোনাকালীন দুর্যোগ সময়ে লঞ্চ ভাড়ার ঊর্ধ্বগতি রোধ করুন

সম্পাদকীয় :

গত ১৫ জুলাই লকডাউন শেষে লঞ্চে করে সাধারণ মানুষ নির্বিচারে ছুটছিল ঢাকার পথে। করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি ছিলো একেবারেই উপেক্ষিত। মানুষ পাগলপ্রায় হয়ে লঞ্চে করে তাদের গন্তব্য যাচ্ছিল। আর এই সুযোগটাই নিচ্ছিল লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। তারা ভাড়া বাড়িয়ে দেয় ৬০ শতাংশেরও ওপরে।

সাধারণ মানুষের এ দুর্বলতার সুযোগে করোনাকালীন অসহায় মানুষের কাছ থেকে দ্বিগুণ, তিনগুণ ভাড়া নিচ্ছিল ঈগল-৩। যাত্রীরাও ছিলো সচেতন। তারা এ বিষয়ে ফেইসবুকে আপডেট জানাচ্ছিল। ৬০ শতাংশেরও বেশি ভাড়া নিচ্ছিল লঞ্চ কর্মচারীরা, এ বিষয়টি জানতে পেরে কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট ওই লঞ্চে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে জরিমানা করেন।

এর পূর্বে যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া প্রসঙ্গে লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে জানতে চাইলে, ভাড়া এমনই হবে এবং ভাড়া না থাকলে লঞ্চে উঠেছেন কেন? এসব অবাস্তব উত্তর প্রদান করেন।

যাত্রীরা বিষয়টি নিয়ে হট্টগোল করতে থাকে এবং লঞ্চেরর কাউন্টারের সামনে এসে প্রতিবাদ ও আন্দোলন শুরু করে। পরে ম্যাজিস্ট্রেট এসে লঞ্চ কর্তপক্ষকে জরিমানা করে।

আমাদের কথা, করোনাকালীন সময়ে বেশিরভাগ মানুষেরই আর্থিক অবস্থা নাজেহাল। চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য না থাকায়  মানুষ খুব অসহায়ভাবে দিনাতিপাত করছেন। এহেন অবস্থায় কোনো একটি পরিবহন সেক্টরে এ তুলকালাম কাণ্ড আমাদেরকে পীড়া দেয়।

সুতরাং এসব অবস্থা থেকে উত্তরণ একান্ত কাম্য।

শেয়ার করুন