উপজেলা পর্যায়ে করোনা

চাঁদপুরে উপজেলা পর্যায়ে করোনা রোগীর ভর্তি ও চিকিৎসায় সাধুবাদ

বিশেষ সম্পাদকীয়

সারাদেশে করোনার প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে ঢাকার সমস্ত করোনা চিকিৎসা হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা অত্যাধিক হয়ে পড়ায় হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসা বেড পাওয়া এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে করোনা রোগীরা ওইসব হাসপাতালে ভীড় করায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকার ওইসব হাসপাতালগুলোতে সিট না পেয়ে অনেক করোনা রোগী মারা যাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের জেলা-উপজেলায় করোনা রোগীর চিকিৎসা একান্ত অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

এই লক্ষ্যে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা পর্যায়ে ১২ জন করোনা রোগীর ভর্তি ও চিকিৎসা শুরু হয়েছে। এতে উপকার পাবে সাধারণ মানুষ। এছাড়াও চাঁদপুরের অন্য উপজেলাগুলোতে আইসোলেশন ইউনিট স্থাপন চালু করার কাজ শুরু হয়েছে।

জানা যায়, পর্যায়ক্রমে চালু হবে চাঁদপুরের সব উপজেলায় করোনা রোগী ভর্তি ও চিকিৎসা কার্যক্রম। এ বিষয়ে দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ’র একটি সংবাদ সূত্রে বিস্তারিত জানিয়েছেন চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু গতকাল শুক্রবার জেলা হাসপাতাল প্রাঙ্গনে জানান, চাঁদপুরের সাতটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ডেটিকেটেড ইউনিট করার চিন্তা করছে সরকার। তখন জেলা সদর হাসপাতালে রোগীর চাপ কমবে। যেহেতু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি চিকিৎসক রয়েছেন, অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও রয়েছে। যা সরকারি হাসপাতালে নেই বা বেসরকারি হাসপাতালে সরকারি কোনো সহায়তা দেওয়ারও সুযোগ নেই। তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ডেটিকেটেড ইউনিট করার চিন্তা করছে সরকার।

এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ আরো জানান, চাঁদপুরের সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীর চিকিৎসা চালু করার বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। আশা করছি বরাদ্দ বাড়লে তা সহসাই শুরু করতে পারবো।

আমরা আশা করবো, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অতি দ্রæত জেলার উপজেলাগুলোতে শাহরাস্তি উপজেলার মতো করোনা রোগীর ভর্তি ও চিকিৎসা শুরু করা হোক। তাতে সাধারণ মানুষ ঢাকা গিয়ে চিকিৎসার হয়রানি, আর্থিক দুর্দশা থেকে বাঁচবে এবং হাজার হাজার অসহায় প্রাণ বেঁচে যাবে।

শেয়ার করুন