কোরবানির পশুর হাট রিপোর্ট

ফরিদগঞ্জে কোরবানির পশুর হাটগুলো জমে উঠেছে

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি ::
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ২২টি অস্থায়ী পশুর হাট জমে উঠতে শুরু করেছে। উপজেলার সবক‘টি হাটেই পর্যাপ্ত পরিমান গরু রয়েছে। এবার পূর্বের চেয়ে ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। তাছাড়া রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরগুলো থেকে গ্রাম এলাকায় আসা লোকের সংখ্যাও কম হওয়ায় দেশী গরুর খামারীরা দুঃশ্চিন্তায় পড়েছে।

শনিবার (১৭ জুলাই) বেশ ক‘টি হাট ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ হাটে স্থানীয় খামারীর পাশা-পাশি যশোর, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন এলাকার গরু ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ গরু রয়েছে। করোনার ভয়ে হাট না জমার আশংকায় বেশীরভাগ মানুষ স্ব স্ব এলাকার স্থানীয় গরু অনেকটা চড়া দামে আগেভাগে ক্রয় করে ফেলেছে। ফলে হাটগুলো ক্রেতার সংখ্যা আশানুরুপ পাওয়া যাচ্ছেনা বলে খামারী ও গরু ব্যবসায়ীরা জানান। করোনার কারণে আর্থিক সংকটের কারণেই কোরবানি দাতার সংখ্যা কমেছে বলে সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজন জানায়।

এদিকে পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্য বিধির তেমন কোনও তোয়াক্কা করা হচ্ছেনা। স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে কারোই কোন খবরদারী নেই। হাত ধোয়া, মাস্ক পরা সামাজিক দূরত্ব বজায়ে রাখা কোনটাই দেখতে পাওয়া যায়নি।

এদিকে অস্থায়ী বাজার ইজাড়া নেওয়া ঠিকাদাররা লোকসান গুণতে হবে জানান। তবে বেচা-বিক্রি হলে লোকশান হওয়ার কথা নয় বলে অনেকে জানান। কেননা পর্যাপ্ত পরিমাণ গরু হাট গুলোতে অবস্থারত রয়েছে। এবার ছোট ও মাঝারি সাইজের গরুর ক্রেতার সংখ্যা বেশী। বড় গরুর ক্রেতা অনেকটা কম।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি জানান, পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্য বিধি রক্ষার জন্য মোবাইল টিম কাজ করছে। তাছাড়া আগামীকাল থেকে আমি নিজেও হাটগুলো পরিদর্শনে যাবো। স্বাস্থ্য বিধি মেনেই হাট বসাতে হবে।

শেয়ার করুন