কঠোর লকডাউনের চতূর্থ দিনে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয় 1

মতলবে কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়

গোলাম নবী খোকন :

চাঁদপুরের মতলব উত্তর, দক্ষিণে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের বেধে দেয়া লকডাউনের ২৭ জুলাই চতুর্থ দিনে মতলব উত্তর ও দক্ষিণ থানার পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়।

মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলায় জন সংখ্যা প্রায় আট থেকে দশ লাখ। এই দশ লাখ মানুষের মধ্যে পুলিশ প্রশাসনের লোক জন হবে প্রায় ১০০ জন। মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় লকডাউন চলাকালীন সময়ে মাঠে কাজ করছে সেনাবাহিনী, থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন। এছাড়া মোবাইল টীম তো আছেই।

এ ছাড়াও কাজ করছে ইলেকট্রনিকস মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া, জন প্রতিনিধি, গ্রাম পুলিশ। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে ব্যাপক প্রচার প্রচারনা চলছে, তার পরে ও অনেকেই মানছে না সরকারের নিয়ম নীতি। মানুষকে এ করোনা ভাইরাস থেকে বাচার জন্য পুলিশ প্রশাসন দিন রাত ভরে কাজ করে যাচ্ছেন, তার পরে অনেকেই মানছে না স্বাস্থ্য বিধি। প্রশাসনের লোকজন আসলে লকডাউন মানছে, চলে গেলে পূর্বের ন্যায় একই দৃশ্য।

তবে কিছু কিছু বাজারে লকডাউন মোটামুটি মানছে ব্যবসায়ীরা,সে বাজার গুলি হচ্ছে ছেংঙ্গারচর বাজার, গজরা বাজার, সুজাতপুর বাজার ও সাহেব বাজার। গত ২৭ জুলাই বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা যায়, বাগান বাড়ি, আমিরাবাদ মাছ বাজার,ঠেটালীয়া বাজার সহ বেশ কটি বাজারে নিয়ম-নীতির বালাই নেই।

কেহ মানছে, কেহ মানছে না, এর কারণ কি? ম্যাজিষ্ট্রেট দ্বারা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা হচ্ছে, জেল জরিমানা করা হচ্ছে, এর পর ও প্রায় ৫০ পারসেন্ট লোক মানছেনা সরকারের এ বিধি নিষেধ।

গত ২৭ জুলাই মতলব বাজার ঘুরে দেখা যায়, লকডাউন মোটামুটি মানছে ব্যবসায়ীরা। গত ২৭ জুলাই মতলব সেতুর পশ্চিম পার চেক পোস্ট বসিয়ে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করতে দেখা যাচ্ছে পুলিশ প্রশাসনের।

এখানে উপস্থিত ছিলেন মতলব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাত, মতলব উত্তর থানার ওসি শাজান কামাল, মতলব দক্ষিণ থানার এসআই রুহুল আমিন সহ সঙ্গীয় ফোর্স কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

মতলব সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাত বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক যে নিয়ম-নীতি বেঁধে দিয়েছে, আমরা তা বাস্তবায়ন করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সড়কে যে সমস্ত জরুরী সেবা, পণ্যবাহী গাড়ি, রোগী আসা যাওয়ার গাড়ি, করোনা টিকা নেয়ার জন্য আসা যাওয়ার গাড়ি গুলি যাচাই বাচাই করে ছেড়ে দেই। যেগুলো সরকারের নিয়ম-নীতি মানছে না, সেগুলো ফেরত পাঠিয়ে দেই।

এ ছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি, ওনাদের দ্বারা প্রতিনিয়ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। একটি বিষয় হচ্ছে, মানুষ কে আর ও সচেতন হতে হবে এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। তা হলেই মানুষ নিরাপদে থাকবে। আপনারা লক্ষ করে দেখুন,জনগণের বাচার জন্য আমাদের পুলিশ দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে। আসুন আমরা সকলে মিলে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলি, নিজেকে বাচাই ও অপরকে বাঁচানোর চেষ্টা করি।

18 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন