উত্তর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

মতলব উত্তরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগ নির্ণয় চিকিৎসা সামগ্রী থাকলেও জনবল নেই

গোলাম নবী খোকন :

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সের নির্ণয় চিকিৎসা সামগ্রী থাকলেও জনবল নেই। জনবল না থাকার কারনে রোগনির্ণয় মেশিনগুলো বছর পর বছর ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। এছাড়াও ডেন্টাল চেয়ার সহ চিকিৎসা সামগ্রী হাসাপাতালে আনার পর থেকে অযত্নে পড়ে আছে।

ফলে হাসপাতালে আগত রোগীদের প্রয়োজনে এক্সরে, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে বাইরের যেতে হচ্ছে। এতে রোগীদের যেমন বাড়তি খরচ হচ্ছে, তেমনি আসা-যাওয়ায় গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ভোগান্তিও পোহাতে হচ্ছে। এছাড়াও সহকারী ডেন্টাল সার্জন না থাকায় ডেল্টাল চেয়ার সহ চিকিৎসা সামগ্রী এগুলো অযত্নে পরে থাকায় নস্ট হচ্ছে সরকারের লাখ লাখ টাকার সম্পদ।

সূত্রে জানা গেছে, ৩শ’ এমএ ( মিলিএমপিআর ) শক্তির একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এক্সরে মেশিন রয়েছে এ হাসপাতালে। কিন্তু মেশিনটি ২০১৩ সাল থেকে এক্সরে মেশিনের কন্টোল বক্সের ডিসপ্লে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে এক্সরে মেশিনটি।

এদিকে এনালাইজার মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট না থাকায় এক্সরে মেশিনটি অকেজো হয়ে যাওয়ার পর অনেক চিঠি চালাচালি করেও আর সারানো যায়নি। এক্সরে মেশিনটি বন্ধ থাকায় এবং ডেন্টাল চিকিৎসা সামগ্রী ২০১৭সালে এ হাসাপাতালে আনা হলেও ডেন্টাল চিকিৎসক না থাকায় এগুলো বিকল হয়ে যাচ্ছে। এতে মতলব উত্তর উপজেলার প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

সরজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, জরুরি বিভাগে বেশ কয়েকজন রোগী আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীরকে ছেংগারচর বাজারে এক্সরে করার পরামর্শ দেন।

অন্য আরেক রোগী বাইরের ডায়গনিক সেন্টার থেকে এক্সরে করিয়ে এনেছেন। মারপিটের ঘটনায় আহত আরেক রোগীকে স্বজনেরা ধরাধরি করে হাসপাতালের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন।

তারা অভিযোগ করে বলেন,‘হাসপাতালের যন্ত্র থাকতে শরীরের যন্ত্রণা লইয়া মোরা বাইরে যাওন লাগতাছে। এত খরচও হইবে দ্বিগুণ।’ মোগো অইছে মরন দশা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নুরসাত জাহান মিথেন জানান, বিষয়টি ঢাকার মহাখালীর ন্যাশনাল ইলেকট্রো মেডিকেল ওয়ার্কশপের টেকনিক্যাল ম্যানেজারকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন