ঘর নির্মাণ নিয়ে হামলা রিপোর্ট

হাজীগঞ্জে ঘর নির্মাণ নিয়ে হামলা, আহত ১২

হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি : :
হাজীগঞ্জ উপজেলার ৭নং পশ্চিম বড়কুল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড নাটেহরা গ্রামের মুন্সী বাড়ীর মৃত রুস্তম আলী মুন্সির ছেলে মো. লোকমান হোসেন (৬৭) গং নব-নির্মিত টিন শেড ঘর নির্মাণ করতে গেলে একই বাড়ির আলহাজ্ব মো. আফসার উদ্দিন গাং বাধা প্রদান করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয় এতে করে দুবার তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

প্রথমে একবার রাস্তার উপর ঘর নির্মাণের সম্মুখে আফসার উদ্দিন গাং ও লোকমান হোসেন গং এর মধ্যে মারামারি হয়। এই মারামারি কে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের জনবল নিয়ে মুন্সি বাড়ী জামে মসজিদের সম্মুখে এশার নামাজের পর পুনরায় বড় ধরনের হামলা হয়।

শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ হামলার বিষয়ে আহত লোকমান হোসেন বলেন, আফসার উদ্দিন গাং দুষ্কৃতী মনা মানুষ, তারা টাকার গরমে গরীবকে মানুষ বলে মনে করেন না। এ হামলার ঘটনা ছাড়াও পূর্ব থেকে তারা আমাদের সাথে একের পর এক লেগে আছে। ১০/১২ বছর পূর্বে আমার অবুঝ শিশু খেলছিল ঘরের সামনে। এ আফসার হাজী যাওয়ার সময় আমার ছেলের পায়ে পাড়া দিয়ে পা ভেঙ্গে দেয়।

লোকমান হোসেন গং হামলায় আহত হয় মো. লোকমান মুন্সি (৬৭), মো. আবু হানিফ (৪৫), মো. রুবেল মুন্সী (২২), মো. রবিউল মুন্সি (১৭), মো. আলমগীর হোসেন হেঞ্জু (৩৫), নুরজাহান বেগম (২৩), মো. মাসুদ আলম (৩৩) মো. হাসান (৩০)।
আহত আলমগীর হোসেন হেঞ্জু বলেন, আফসার উদ্দিন গাং আমাদের উপর হামলার পর স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করাতে চাইলে এখানেও আমরা তাদের টাকা ও জনবলের কাছে হেরে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যেতে হয়। এভাবে একের পর এক তাদের অত্যাচারের মাত্রা আমাদের উপর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আফসার উদ্দিন গাং এর আহত হয়, আদম আলী মুন্সির ছেলে আলহাজ্ব মো. আফসার উদ্দিন (৬৫), মোহাম্মদ আল মামুন মুন্সি (৩৫), মো. আল আমিন মুন্সি (৫৫), মোসাম্মদ শেফালী বেগম (৬৫) সহ আরো ২/৩ জন।

আলহাজ্ব মো. আফসার উদ্দিন এর সাথে আমাদের প্রতিনিধির সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, আফসার হাজী এলাকার সচেতন মানুষ হিসেবে তার এটা করা ঠিক হয়নি। তিনি ঘরের কাজে বাধা না দিয়ে চেয়ারম্যান-মেম্বার বা গ্রম পুলিশকে দিয়ে বাধা দিতে পারতেন। তাহলে আজকের এই পরিণতি উভয়ের হতো না।

এ ব্যাপারে ৭নং পশ্চিম বড়কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন গাজীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এই ঘটনা আমি শুনেছি উভয়পক্ষ আমার আত্মীয়-স্বজন, আমি সবাইকে স-স অবস্থানে থাকার জন্য বলেছি। আমি সামাজিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দেবো এ আশ্বাস প্রদান করেছি।

শেয়ার করুন