সংঘর্ষ

বরিশালের ঘটনায় কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছিলো একটি চক্র

প্রচলিত গল্পটি এ রকম- ‘দুটি গ্রামের সীমানা এলাকায় একটি বিশাল হাট। বিরোধ থাকলেও দুই গ্রামের মধ্যে বিবাদের ঘটনা ঘটত না, ছিল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। এ অবস্থায় তৃতীয় পক্ষের ধুরন্ধর এক ব্যক্তি হাটবারে খুবই পরিচিত একটি রসগোল্লার দোকানের পাশের গাছের কান্ডে অল্প একটু ঝোলা গুড় লাগিয়ে দিল। এ গুড়ের আকর্ষণে পোকা এলো। পোকা খাবার জন্য এলো পাখি। পাখি ধরতে এলো বিড়াল। চোর স্বভাবের বিড়ালকে ধাওয়া দিল কুকুর। হঠাৎ ধাওয়া খেয়ে বিড়াল পড়ল রসগোল্লার বিশাল গামলায়। এ নিয়ে শুরু হলো তর্কাতর্কি-হাতাহাতি-মারামারি। যা ছড়িয়ে গেল পুরো হাটে। এরপর মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত দুই গ্রাম, রক্তারক্তি ও প্রাণহানির মহা অঘটন ঘটে গেল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে!

টক অব দ্য কান্ট্রি হয়ে যাওয়া বরিশালের আলোচিত ঘটনাটিও অনেকটা এ গল্পের মতোই। ১৮ আগস্ট রাতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা শহরের বিভিন্ন এলাকার নানান ধরনের ব্যানার-বিলবোর্ড অপসারণের অংশ হিসেবে রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলা কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নের কাজ শুরু করে। এ কাজ করতে গিয়ে তারা বাধাগ্রস্ত হয়। তারা জানত না নেপথ্য ঘটনা। কিন্তু নিশ্চয়ই ইউএনও মুনিবুর রহমান জানেন। তিনি বেরিয়ে এলেন। একপর্যায়ে তিনি কর্তব্যরত আনসারকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদিষ্ট হয়ে আনসার সদস্যরা মারমুখী হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের রক্ষায় সরকারি দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এগিয়ে আসেন। এ অবস্থায় কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা আরও মারমুখী হয়ে ওঠে। ইউএনওর নির্দেশে গুলি চালানো হয়। ফলে পরিস্থিতি অধিকতর ঘোলাটে হয়ে যায়। অঘটনের খবর পেয়ে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছেন। তিনি নিজের পরিচয় দেন, সবাইকে শান্ত হওয়ার আহ্‌বান জানান। এর পরও আনসার বাহিনীর গুলি চলেছে। এক সূত্র বলছেন, সেদিন আসলে গোলাগুলি ঘটানোর জন্য ফাঁদ পাতা হয়েছিল। কিন্তু মেয়র সাদিক কিনারে গেলেও সে ফাঁদে পা দেননি।

বরিশালের উল্লিখিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ২০ আগস্ট গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেছেন, বরিশালের ঘটনায় কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। জড়িতদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, বরিশালের ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। এদিকে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে।

ঘটনার বিস্তার এখানেই থেমে যেতে পারত। কিন্তু তা হয়নি। বরং অভূতপূর্ব ‘কড়া’ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। এই ক্যাডারের সদস্য জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার বরিশাল শহরে ১০ প্লাটুন বিজিবি চেয়ে পত্র দিয়েছেন। এখানেই শেষ নয়। বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে প্রধান আসামি করে দুটি মামলায় আসামি করা হয়েছে ৬ শতাধিক ব্যক্তিকে। আসামির তালিকায় মৃত ব্যক্তিও আছেন! যদিও বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর পুলিশ আসামির বাপের নাম উল্লেখ করে মুখরক্ষার চেষ্টা করছেন।

বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন আক্রমণাত্মক ও ভুলে ভরা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের আইনের মাধ্যমেই মোকাবিলা করা হবে।’ বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন। এ সংগঠনের সভাপতি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার। এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল জাহিদ ফারুক শামীম (অব.)।

বরিশালের ঘটনার পরদিন ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কবির বিন আনোয়ারের সভাপতিত্বে সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের জরুরি সভা হয়। পরে রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে সংঘটিত ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত হয়, আইনের মাধ্যমেই দুর্বৃত্তদের মোকাবিলা করা হবে এবং আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বরিশালের ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায় সরকারি কর্তব্য পালন করতে গিয়ে ইউএনও কীভাবে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের দ্বারা হেনস্তা হয়েছেন। তাঁর বাসায় হামলা করা হয়, যেখানে তাঁর করোনা আক্রান্ত অসুস্থ পিতা-মাতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে এই কর্মকর্তাকে গালাগাল করা হয়েছে। তাঁর বাড়ির ফটক ভেঙে প্রবেশ করা হয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর চামড়া তুলে নেওয়ার জন্য প্রকাশ্যে স্লোগান দিয়ে মিছিল করা হয়েছে। মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও তাঁর দুর্বৃত্ত বাহিনী সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের দিয়ে নানা প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং পুরো জেলায় ত্রাসের রাজস্ব কায়েম করেছেন।’

আহা! আহা! শুনিলাম যেন অমৃত বাণী। এ সংগঠনটি এ ধরনের বাক্য এবং শব্দ প্রয়োগে প্রেস রিলিজ দিতে পারে কি না সেটাই বড় প্রশ্ন! অনেকেই মনে করেন সীমার বাইরে গিয়ে অনেকটা সংবিধানবহিভর্‚তভাবে এ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। এদিকে কাগজে-কলমে যা-ই বলা হোক, জনগণের প্রতি সচিবদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন কিন্তু রয়েই গেছে। অতীতে অনেক উদাহরণ আছে, আমলারা জনগণ তো দূরের কথা, সরকারের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা, বিশ্বস্ততা ভঙ্গ করার একাধিক উদাহরণ আছে। অন্যদিকে জনপ্রতিনিধিদের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতেই হয়। পানি ছাড়া মাছ যেমন তেমনই জনগণ ছাড়া জনপ্রতিনিধি অকল্পনীয়। মেয়র সাদিকের বিষয়টি সেভাবেই দেখতে হবে। বলা বাহুল্য, চূড়ান্ত বিচারে রাজনীতিবিদরাই রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন, আমলারা নন।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে গেছে, ১৮ আগস্ট রাতের বিষয়টি ছিল সাজানো ফাঁদ। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি যখন ঘোলাটে করার চেষ্টা হয়েছে তখন গভীরের কথাটি দৃঢ়ভাবে বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, বরিশালের ঘটনা পুঁজি করে কাউকে পানি ঘোলা করতে দেওয়া হবে না। তদন্তে সত্য উদ্ঘাটন হওয়ার আগে এ নিয়ে অতিমাত্রায় কথা বলা বা কিছু করাও সমীচীন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘বরিশালের ঘটনাটি এখনো তদন্তাধীন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ৬০ জন গুলিবিদ্ধ ও অনেকের আহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তা-ও দেখা হচ্ছে। তদন্তাধীন বিষয়ে বেশি কথা বলতে চাই না, তদন্তের ভিত্তিতে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রশাসন ক্যাডার ইতিমধ্যে এ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে এবং সেখানে বরিশালের মেয়র ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন বলা হয়েছে, তদন্তাধীন বিষয়ে এমন বিবৃতি দেওয়া যৌক্তিক কি না বা তারা এটা করতে পারে কি না এ প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দেখেছি প্রশাসন ক্যাডারের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি করে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তদন্তে বেরিয়ে আসবে আসলে কী ঘটনা ঘটেছিল।’

অনেকেই মনে করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর বক্তব্যে ঘটনার মূল বিষয়টি উঠে এসেছে। তথ্যমন্ত্রী যে কথা বলেছেন তা ভিত্তি হিসেবে ধরে নিয়ে আরও কিছু বিষয় বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। তা হচ্ছে ব্যানার-ফেস্টুনের অপসারণ ইস্যুতে এত জড়ালেন কেন ইউএনও মুনিবুর রহমান? স্মরণ করা যেতে পারে বরিশাল জিলা স্কুলের ছাত্র ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলার বর্তমান ইউএনও। সে সময় বিএনপি ক্ষমতায়, তিনি ছাত্রদলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। স্কুলজীবনে তার বন্ধুরা বর্তমানে বিএনপি অথবা আওয়ামী রাজনীতিতে সাদিকবিরোধী শিবিরে সক্রিয় নেতা-কর্মী। ফলে তারও একটি রাজনৈতিক পছন্দ-অপছন্দ সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। এ ছাড়া ব্যক্তিগভাবে তিনি অত্যন্ত রগচটা মানুষ হিসেবে পরিচিত। আর একটি প্রশ্ন বেশ বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। তা হচ্ছে জেলা প্রশাসক ১০ প্লাটুন বিজিবি চাইলেন কোন বিবেচনায়? বরিশালে এমন কি কিছু ঘটেছিল যে বিজিবি নামাতে হবে! তা তো নয়। বরং সবারই জানা, পরিস্থিতি মোকাবিলায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বোচ্চ দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছে একাধিকবার। এমনকি ১৮ মার্চের ঘটনাও মোকাবিলা করে সক্ষমতা স্পষ্ট স্বাক্ষর রেখেছে বরিশাল মেট্রোপলিটান পুলিশ (বিএমপি)।

পর্যবেক্ষণে অনেকের কাছেই পরিষ্কার, বরিশাল সদর উপজেলা কমপ্লেক্সে ১৮ আগস্টের নাটকীয় ঘটনা খুবই পরিকল্পিভাবে ঘটানো হয়েছে। আর ঘটনাস্থলে আনসার বাহিনীর উসকানিমূলক গুলিবর্ষণের মুখে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ যে ধৈর্য ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন তা রাজনীতিতে এক দৃষ্টান্ত হয়েই থাকবে। তা না হলে সেদিন কেবল আনসারের একতরফা গুলি নয়; গোলাগুলির ঘটনা ঘটতে পারত। সৌভাগ্যক্রমে তা হয়নি। এর পরও প্রশ্ন হচ্ছে- সব ষড়যন্ত্র আগস্টেই ঘটে কেন?

সাধারণভাবেই জানা কথা, প্রতিটি ঘটনার পেছনেই পরিকল্পনা থাকে, থাকে বিনিয়োগও। বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে বাসন্তীর জাল পরা ছবি পত্রিকায় ছাপা এবং শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কোরবানির পশুর চামড়া কবরের মতো করে মাটি চাপা দেওয়া- এ ধরনের সব ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্য ও বিনিয়োগ থাকে। বোধগম্য কারণেই এ ধারার বাইরে নয় ১৮ আগস্ট রাতে বরিশাল সদর উপজেলার ইউএনওর বাসভবনের ঘটনাবলি। এদিকে বরিশালের টক অব দ্য টাইম- কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে ওই রাতের ঘটনার পেছনে। টাকার পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য আছে। কিন্তু মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগের কথাটি অনেকেই বিশ্বাস করছেন এবং এটি বরিশালে টক অব দ্য টাউন হয়ে গেছে।

লেখাটি শেষ করার আগে গল্পের প্রসঙ্গে আসি। দুই গ্রামের প্রাণঘাতী সংঘর্ষের নেপথ্যে গাছের কান্ডে ঝোলা গুড় লাগানো ব্যক্তিটিকে খোঁজ করা হয়েছিল কি না তা গল্পে বলা নেই। হয়তো সে সময় কোনো ঘটনার নেপথ্য অনুসন্ধানকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হয়নি। কিন্তু অতীতে যা প্রয়োজন বলে বিবেচিত হয়নি তার অনেক কিছু বর্তমানে খুবই জরুরি হয়ে গেছে। রবিবার রাতে বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবনে শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মেয়রের বৈঠকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’র অবসান ও মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি অবশ্যই একটি ভালো খবর। তবে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুল বোঝাবুঝির অবতারণা না হয় তা নিশ্চিত করতে সব পক্ষকেই সতর্ক থাতকে হবে। সাধু সাবধান! (বাংলাদেশ প্রতিদিন)

লেখক : আলম রায়হান, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক।

35 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন