সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় 1

কচুয়ায় শিক্ষার্থীকে বের করে দেয়া শিক্ষক এমদাদ উল্লাহকে শোকজ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ইউনিফর্ম না থাকায় ৭ শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষ থেকে বের করে দেয়া শরীর চর্চা শিক্ষক এমদাদ উল্লাহকে শোকজ করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার সকালে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ক্লাস চলাকালীন সময়ে শরীরচর্চা শিক্ষক এমদাদ উল্লাহ শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করেই পরীক্ষার্থী সাকিন মাহমুদ শৈশব, তামজীদ মজুমদার, রাকিব হোসেন, নাজাফউদ্দীন, আবু বক্কর সিদ্দিক সজীব এবং মোঃ সাজেদুল ইসলামসহ আমাকে ইউনিফর্ম না থাকায় শ্রেণি কক্ষ থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

পরে রসায়নের শিক্ষক রাসেল তাদেরকে সাময়িক ক্ষমা করার জন্য এমদাদ উল্লাহ্যাকে অনুরোধ জানান। কিন্তু অনুরোধ রাখাত দূরের কথা তিনি বরং আরো ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে ব্যবহারিক পরীক্ষায় ফেল করানোর হুমকি দিয়ে শ্রেণি কক্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য করেন।

আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

এ নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ পায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপায়ন দাস শুভ বিষয়টি অবগত হয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সরে জমিনে গিয়ে তদন্ত করার জন্য বলেন। শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশ্রাফ খান গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

তিনি ঘটনার সত্যতা খুঁজে পেয়ে শ্রেণি কক্ষ থেকে বের করা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে একটি লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করেন। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, বের করে দেওয়া শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম হিসাবে গায়ের শার্ট ঠিক থাকলেও পরনে ছিল জিন্স প্যান্ট। এ সূত্রধরে শরীরচর্চা শিক্ষক তাদেরকে বের করে দেন। আমি শিক্ষার্থীদের লিখিত বক্তব্য নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনা ক্রমে পরবর্তী করনীয় নির্ধারণ করবো।

আরো পড়ুন : মেহ প্রমেহ ও প্রস্রাবে ক্ষয় রোগের কার্যকরী সমাধানসমূহ

তিনি আরো জানান, শিক্ষার্থীদেরকে বের করে দেওয়ার বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ মান্নান শিক্ষক এমদাদ উল্লাহকে শোকজ করেছেন। কোন প্রকার সতর্ক ও পরামর্শ প্রদান না করে শিক্ষার্থীদেরকে অমানবিক ও অসৌজ্যমূলকভাবে শ্রেণি কক্ষ থেকে বের করে দেওয়ায় শিক্ষক ও অভিভাবক মহলে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বের করে দেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, তারা প্রায় দুই বছর পূর্বে স্কুলের ইউনিফর্ম হিসাবে যে প্যান্ট পরিধান করতো সেগুলো বর্তমানে তাদের শরীরের আকৃতির তুলনায় কিছুটা খাটো। হঠাৎ করে বিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু হওয়ায় সময়ের স্বল্পতার কারনে তারা নতুন প্যান্ট বানিয়ে স্কুলে আসতে পারেনি।

উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বে শরীরচর্চা শিক্ষক মোঃ এমদাদ উল্লাহ’র বিরুদ্ধে প্রাইভেট পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রশ্নফাঁস করে দেওয়া, শিক্ষার্থীদের সাথে অশালীন আচরণ ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে বোরকা পরে আসতে নিষেধ করে এমনি ব্যাপক অভিযোগ উঠে।

এমআরআর

আরো পড়ুন : অ্যালার্জি দূর করবে ৫টি খাবার

আরো পড়ুন : যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ

আরো পড়ুন : গেজ, অশ্ব,পাইলসের সহজ চিকিৎসা

 38 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন