সপ্তগ্রাম উবির

সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহজালালের খুঁটির জোর কোথায়?

মমরুজকান্দি সপ্তগ্রাম উবির সাবেক সভাপতি ও বরখাস্তকৃত
মতলব উত্তর ব্যুরো
মতলব উত্তর উপজেলার মমরুজকান্দি সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদ্য সাবেক সভাপতি ও সাময়িক বরখাস্তকৃত সহকারি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শাহজালাল পাঠান একের পর এক অনিয়ম, দূর্নীতি ও পেশীশক্তি ব্যবহার করে আসছে। তার অপকর্মে অতিষ্ট সাধারণ মানুষ। তাই তারা যান্তে চায় শাহজালালের খুটির জোর কথায়?

জানা যায় ২রা সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন নিয়ে দ্ব›েদ্ব সদ্য সাবেক সভাপতি শাহজালাল পাঠান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলমকে লাঞ্চিত করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। পরে বিদ্যালয়ে এসে তালা ঝুলিয়ে দেয় এবং সিনিয়র শিক্ষক শাহাদাত হোসেন ও মাহমুদা বেগমকে জোরপূর্বক বিদ্যালয় থেকে বের করে দেন।

এমনকি এ্যাসাইনম্যান্ট জমা দিতে আসা ছাত্র ছাত্রীদেরও বিদ্যালয় ত্যাগ করার নির্দেশ দেন। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। যে তালা খুলতে আসবে তাকে খুন করা হবে বলে হুমকি দেন। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলম।

এলাকাবাসী জানায়, শাহজালাল পাঠানের বিরুদ্ধে রয়েছে আরো অনেক অভিযোগ। সে ছেংগারচর পৌর ভূমি অফিসার থাকা অবস্থায় সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা (কর) উত্তোলন করে সরকারের কোষাগারে জমা দেননি। ভুয়া ব্যাংক চালান তৈরি করে ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।

ছেংগারচর পৌর ভূমি অফিস থেকে ফরাজিকান্দির আমিরাবাদ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি হয়ে গেলে সেখানেও সে অনিয়ম ও দূর্নীতি করছিল। সেবা নিতে আসা ভূক্তভোগীদের সাথেও অমানবিক আচরণ করতো। ফলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ শুরু করে সাধারণ মানুষ। তখন একের পর এক বেরিয়ে আসে শাহজালাল পাঠানের অনিয়ম ও দূর্নীতি। সেই অনিয়ম ও দূর্নীতির কারনেই তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শাহজালাল পাঠান এর ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

 39 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন