Dr samsunnahar tania

কাল্পনিক মিথ্যা অপপ্রচার না ছড়ানোর আহবান ডাঃ শামসুন্নাহার তানিয়ার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট :

প্রকৃত সত্য ঘটনার বাহিরে অতি উৎসাহিত হয়ে বানোয়াট ও কাল্পনিক কাহিনী সাজিয়ে মিথ্যে অপপ্রচার না ছড়ানোর আহবান জানিয়েছেন ডাঃ শামসুন্নাহার তানিয়া। সম্প্রতি গত ৮ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর আল-আমিন প্রাইভেট হাসপাতালে একজন প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

আর ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেকেই গনমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকৃত ও সত্য ঘটনার বাহিরে অতি উৎসাহিত হয়ে ডাঃ তানিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার চালিয়েছেন বলে তার অভিমত। ওইদিন অনাকাঙ্খিত ওই প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় তিনি যেমন মানসিক ভাবে আহত হয়েছেন, অন্যদিকে এমন মিথ্যে অপপ্রচারে তিনি অনেক হতাশাগ্রস্ত।

অনেকেই প্রকৃত ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বাহিরে তার বিরুদ্ধে – তিনি জেল হাজতে রয়েছেন, পালিয়ে গেছেন, চাঁদপুর ছেড়ে ঢাকায় চলে গেছেন, তিনি কল রিসিভ করেননি কিংবা পুলিশ তাকে আটক করেছে। সংবাদে এমন মিথ্যে বানোয়াট কথা উল্লেখ করেন।

অথচ ওই অনাকাঙ্খিত ঘটনার পর থেকেই তিনি আড়াই,শ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন এবং সরকারি ডিউটির সময়ের বাহিরেও শহরের বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে প্রসূতি রোগীদের চিকিৎসাসেবা এবং অপারেশন করছেন বলে জানা গেছে।

যেখানে তিনি প্রতিদিন নিয়মিত সরকারি এবং প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়মিত রোগীদের সেবা দিচ্ছেন। সেখানে এসব মিথ্যা অপপ্রচার বানোয়াট ও কাল্পনিক, কাহিনী ছাড়া আর অন্যকিছু নয় বলে মনে করছেন তিনি।

এমন হতাগ্রস্ত মিথ্যা অপপ্রচারের প্রসঙ্গে ডাঃ শামসুন্নাহার তানিয়া বলেন, একটি কুচক্রী মহল আমাকে হেয় প্রতিপন্ন এবং আমার সুনাম নষ্ট করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্য অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তারা ষঢ়যন্ত্রমূলক ভাবে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকৃত সত্য ঘটনার বাহিরে বানোয়াট ও কাল্পনীক কাহিনী সাজিয়ে কুৎসা রটাচ্ছেন। যা আমাকে চরমভাবে হতাশগ্রস্ত ও আহত করেছে। যারা আমার বদনাম করার জন্য আমার বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

তারা যেনো এসব মিথ্যা অপপ্রচার না করে প্রকৃত সত্যটা তুলে ধরেন। তাদের প্রতি এটাই আমার আহবান।

চাঁদপুর আল-আমিন হাসপাতালে অনাকাঙ্খিত প্রসূতি মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, ওই রোগীটি আমার গত কয়েক বছরের পুরনো একজন রোগী। আমার দীর্ঘদিনের চিকিৎসাসেবায় সে গর্ভবর্তী লাভ করেন। যেদিন তার মৃত্যু হয়েছে। ওইদিন তার পরিছন্ন একটি সিজার হয়েছে। সিজারের পর তার সাথে কথা বলে আমি হাসপাতাল থেকে বেরিয়েছি। তার ১ ঘন্টা পরে শুনেছি রোগীর পেশার বেড়ে গিয়ে প্রচন্ড খিচুনী হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকে তার এমন অবস্থা জানানোর পর আমি তাদেরকে এ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসকের সাথে পরামর্শের কথা বলেছি। কারন বিষয়টি এ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসকের।

তারপর এ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক প্রথমে ফোনে তার চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে তিনি স্বশরীরে হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে ওই রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়েছেন। কিন্তু তিনি গিয়েও রোগীর খিচুনী স্বাভাবিক করতে না পেরে ঢাকায় নেয়ার পরমর্শ দেন।

দুর্ভাগ্য বশত অনাকাঙ্খিত ভাবে তার খিচুনী অনেক বেশি বেড়ে গিয়ে রোগীটির মৃত্যু হয়। যার দায়ভার এবং সমস্ত বদনাম আমার উপরই চাপানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রকৃত সত্য যাচাই করলেই আসল ঘটনা উদঘাটন হবে। তবে ওই প্রসূতি মায়ের এমন অনাকাঙ্খিত মৃত্যুতে তার পরিবারের মতো আমিও অনেক শোকাহত হয়ে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছি।

আরো পড়ুন : শ্বেতীর সাদা দাগ দূর করার উপায়

আরো পড়ুন : মেহ প্রমেহ ও প্রস্রাবে ক্ষয় রোগের কার্যকরী সমাধানসমূহ

আরো পড়ুন : পাইলস রোগে করণীয়

আরো পড়ুন : জেনে নিন দীর্ঘক্ষণ মিলনের ঔষধ

আরো পড়ুন : একজিমা হলে কী করবেন?

 29 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন