chandpurreport 160

ফরিদগঞ্জে প্রশাসনের উদ্যোগে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মতবিনিময় সভা

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমুন্নত রাখতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইউএনও শিউলী হরির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. জাহিদুল ইসলাম রোমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আবুল খায়ের পাটওয়ারী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আশরাফ আহমেদ চৌধুরী, সহকারি কমিশনার (ভুমি) শারমিন আক্তার, উপজেলা পরিষদ ভাইসচেয়ারম্যান জিএস তছলিম, মাজুদা বেগম, অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহিদ হোসেন, ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান, সাবেক সভাপতি নুরুন্নবী নোমান, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ডা: পরেশ চন্দ্র পাল, সাধারণ সম্পাদক তপন মজুমদার, পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি হিতেশ শর্মা, সাধারণ সম্পাদক লিটন কুমার দাস, ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাঠ সমন্বয়কারী মোধ জাহিদ হোসেন, উপজেলা মসজিদের খতিব মাও. ইউনুছ, থানা জামে মসজিদের খতিব মোহাম্মদ হোসাইন , ইউপি চেয়ারম্যান বাছির আহাম্মদ প্রমুখ।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. জাহিদুল ইসলাম রোমান বলেন, বাঙ্গালির সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ইতিহাস হাজার বছরের। এদেশে সুদীর্ঘকাল ধরে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রীস্টানসহ সকল সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রে তাদের জীবন যাপন করে আসছে। একে অপরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে পরস্পরের প্রতি সৌহাদ্যপুর্ণ সর্ম্পক বজায় রেখেছে, যা অদ্যবদি চলমান। কিন্তু কিছু কুচক্রি আমাদের এই সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করতে নানা ভাবে চেষ্টা করছে। কুমিল্লার ঘটনাটি যার প্রমাণ। এই পর্যন্ত পুলিশের তদন্তের যা বেরিয়ে এসেছে, তাতে আমরা বুঝতে পারছি একজন প্রকৃত ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি কখনোই অন্যধর্মের ক্ষতিসাধণ করতে পারে না।

২০০১ সালে রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা ও নির্যাতন। পরবর্তী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকার যখন সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করে এদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছেন তখনই চক্রটি আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এদেরকে আমাদের সম্মিলিত ভাবে দমন করতে হবে।

আমরা একথা বলতে পারি ফরিদগঞ্জ উপজেলা এইসব থেকে ভাল রয়েছে। গুপ্টির ঘটনাটি ইতিমধ্যেই শটসার্কিট থেকে হওয়া বলে তদন্তে জানা গেছে। তারপরও ভবিষ্যতে যেন অনিষ্টকারী গোষ্ঠীটি কোন ঘটনা ঘটাতে না পারে, সেজন্য আমাদের প্রত্যেককে সজাগ থাকতে হবে। মসজিদের খতিব ও ইমামদের প্রতিটি জুমার দিন মানুষকে এসব বিষয়ে বোঝাতে হবে। একই সাথে অন্য সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকেও তাদের সম্প্রদায়ের লোকজনকেও একই ভাবে নিজ নিজ র্ধমের অনুশাসন মেনে চলার জন্য পরামর্শ দিতে হবে। আমি একথা বলতে পারি, যারা প্রকৃত ধর্ম চর্চা করে তারা কখনই অন্য ধর্মের প্রতি আঘাত আনতে পারে না।

আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

আরো পড়ুন : যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ

আরো পড়ুন : মেহ প্রমেহ ও প্রস্রাবে ক্ষয় রোগের কার্যকরী সমাধানসমূহ

আরো পড়ুন : গেজ, অশ্ব,পাইলসের সহজ চিকিৎসা

আরো পড়ুন : মলদ্বার দিয়ে রক্ত পড়ার হোমিও চিকিৎসা

69 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন