chandpurreport 113

সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে মণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তি শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সারাদেশে জ্বলেছিল অশান্তি আগুন। এ আগুনে অনেক বাড়িঘর পুড়েছে। মানুষ মরেছে। কিন্তু কে লাগিয়েছে এ সাম্প্রদায়িকতার আগুন সারাদেশে, যার জন্য চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মারা গিয়েছে চারজন মানুষ। অনেক মানুষ আহত হয়েছে। কে সেই ব্যক্তি?

কাদের এই চক্রান্তে বাংলাদেশ থমকে গিয়েছিলো ক’দিনের জন্য? এবার জেনে নিন, কারা এবং কেন এই নারকীয় ঘটনার মূল হোতা!

কুমিল্লার পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা ব্যক্তিকে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে। ওই ব্যক্তির নাম ইকবাল হোসেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

chandpurreport 115

বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। এতে দেখা যাচ্ছে এক যুবক মসজিদ থেকে কোরআন শরিফ নিয়ে রাস্তার দিকে আসে।

কিছুক্ষণ পর দেখলাম তার হাতে কোরআন শরিফ নেই। হনুমান ঠাকুরের গদা হাতে নিয়ে তিনি ঘোরাঘুরি করছেন।

chandpurreport 114

মন্ত্রী আরও বলেন, আমি গতকালও বলেছি তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ওই যুবক মোবাইল ব্যবহার না করার কারণে তাকে ট্র্যাক করা যাচ্ছিল না। এখন পর্যন্ত তিনি ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করছেন। আমরা তাকে নজরদারিতে রেখেছি। যে কোনো সময় তাকে গ্রেফতার করা হবে।

জানা যায়, রাত আড়াইটা থেকে ভোর সাড়ে ৬টার মধ্যে কুমিল্লার পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা হয়। সে সময়ই সরিয়ে নেওয়া হয় হনুমানের হাতে থাকা গদা। গদা নিয়ে চলে যাওয়ার একটি সিসিটিভি ফুজে সংগ্রহ করেছে পুলিশ। খবর সময়টিভির

ফুটেজে দেখা গেছে, রাত দুইটা ১০ মিনিট। দারোগাবাড়ির মসজিদ থেকে কিছু একটা হাতে নিয়ে বের হচ্ছেন এক যুবক। তার গতিবিধি সন্দেহজনক।

আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

এর এক ঘণ্টা ২ মিনিট পর আরেকটা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কুমিল্লার নানুয়াদীঘি অস্থায়ী মণ্ডপের উত্তর-পূর্বদিকের রাস্তায় ঘোরাফেরা করছেন ওই ব্যক্তি। তার কাঁধে ছিল হনুমানের হাতে থাকা গদা। পুলিশ, পূজামণ্ডপ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাত আড়াইটা থেকে ভোর সাড়ে ৬টার মধ্যে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক ঘটনাটি ঘটে।

ফুটেজে থাকা ওই ব্যক্তির পরিচয় এরই মধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে ধরতে চলছে সর্বোচ্চ চেষ্টা। পুলিশ বলছে, তাকে গ্রেপ্তার করা গেলেই বেরিয়ে আসবে সাম্প্রদায়িক উসকানির মূল ঘটনা। তবে সরাসরি জড়িত আরও দুজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

আরো পড়ুন : অর্শ গেজ পাইলস বা ফিস্টুলা রোগের চিকিৎসা

এলাকাবাসী বলছে, শুধু তিনজন নয়, এ ঘটনার সঙ্গে প্রভাবশালী কেউ জড়িত। ঘটনার পেছন থেকে কেউ কাজটি করিয়ে থাকতে পারেন। কাজটা হয়তো এমন কাউকে দিয়ে করানো হয়েছে, যিনি বিষয়টি বুঝতে পারেননি। তাকে হয়তো টাকা দিয়ে করানো হয়েছে। কাজটি হয়তো কোনো ক্ষমতাবান গোষ্ঠী বা ব্যক্তি করিয়েছেন।

অস্থায়ী পূজা মণ্ডপটির পশ্চিমপাশে রয়েছে একটি মাজার। কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, মাজার থেকেই ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। তবে মাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাজার থেকে এমন ঘটার কোনো সুযোগ নেই।

তারা বলছেন, পূজামণ্ডপে যে ধরনের কোরআন শরীফ দেখা গেছে, সে ধরনের কোনো কোরআন শরীফ আমাদের মসজিদ বা মাজারে নেই। পাশাপাশি আমাদের মসজিদ এবং মাজারের সব কিছু সিসিটিভি নিয়ন্ত্রিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এটি পরীক্ষা করছে। তারা যদি এ ধরনের কোনো তথ্য পান, তবে তারা উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন।

কুমিল্লার এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৬ জনকে আটক করা হয়েছে। মামলা হয়েছে ৯টি।

বিস্তারিত আসছে…

আরও পড়ুন: বীর্যমনি ফল বা মিরছিদানার উপকারিতা

আরো পড়ুন :  নারী-পুরুষের যৌন দুর্বলতা এবং চিকিৎসা

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিকারে শক্তিশালী ভেষজ ঔষধ

আরো পড়ুন : দীর্ঘস্থায়ী সহবাস করার উপায়

476 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন