chandpurreport 298

কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা ১৫ নভেম্বর

ওমর ফারুক সাইম, কচুয়া প্রতিনিধি :
পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ব্যাপক প্রচার প্রচারণা, গণসংযোগ ও ভোটারদের সাথে মতবিনিময় শুরু করে দিয়েছে কচুয়া উপজেলার সকল ইউনিয়নে।

১৫ নভেম্বর সোমবার আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূল আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বাচাই করার লক্ষে ৭নং কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা। বর্ধিত সভাকে ঘিরে এলাকা সরগরম হয়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগ দলীয় নৌকা মার্কার প্রার্থী হিসেবে বর্তমান চেয়ারম্যান জসিমউদ্দীন লিটন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. লিটন মুন্সি, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ রবিউল ইসলাম রাসেল, আওয়ামী লীগ নেতা আলী আজগর, শাহাদাত হোসেন শিবলু।

১৪ নভেম্বর রোববার সরজমিনে কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়নের কোমরবাশা, আকানিয়া, হোসেনপুর, তুলপাই, আন্দিরপাড় এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আজ সোমবারের বর্ধিত সভাকে ঘিরে দলীয় নেতা কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। ওই এলাকার সকলেই এ বৎসর ইউপি নির্বাচনে নৌকার নতুন মাঝি দেখতে চায়। নেতাকর্মীদের সাথে আলাপচারিতায় জানা যায়, বর্তমান সাংসদ ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপির আস্থাভাজন নতুন প্রজন্মের আওয়ামী লীগের আইকন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ লিটন মুন্সি। ইতিমধ্যেই তিনি এলাকায় সাংসদের সহযোগীতায় বেশকিছু দৃশ্যমান উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করেছেন। করোনা কালীন সময়ে তিনি লকডাউনের সময় কর্মহীন দিন মজুর ও অসহায় মানুষদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়ে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাছাড়া তিনি সবসময় গরীব ও অসহায় মানুষদের পাশে দাড়িয়ে বিভিন্ন ভাবে তাদের সহযোগীতা প্রদান করে আসছেন। এসকল কারনে তিনি তরুন প্রজন্মের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।

কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন জানান, আজ আমাদের ইউনিয়নের বর্ধিত সভা। এই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা ও জনসমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন মোঃ লিটন মুন্সি। তাকে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন দিলে ৭নং কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদটি সহজে আওয়ামী লীগের দখলে থাকবে। তার পক্ষে দলের সকল নেতাকর্মীরা একত্রে হয়ে কাজ করবে এবং জয় লাভ করবে নৌকা প্রতীক এমন আশা করছেন তারা।

ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহাদাত হোসেন জানান, লিটন মুন্সির ব্যাক্তিগত ইমেজ, পারিবারিক ইমেজ ও দীর্ঘদিনের দলের নিবেদিত একজন সক্রিয় নেতা হিসেবে বেশ পরিচিতি রয়েছে এলাকাজুড়ে। এছাড়া সমাজসেবক হিসাবে তিনি বেশ পরিচিত। করোনা মহামারীকালীন সময়ে তিনি কর্মহীন পরিবারের মাঝে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্য পৌছে দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার রক্তশিরায় বহমান বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্থানীয় সাংসদ ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপির জন্য শ্রদ্ধা, অফুরন্ত ভালোবাসা। আওয়ামী লীগের জন্য অনেক ত্যাগ ও অবদান রয়েছে লিটন মুন্সির। দলের যেকোনো দুঃসময় দল এবং দলের কর্মীদের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন এই নেতা। তিনি নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যামে দলকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেয়ার চেষ্টা করেন। এবার তিনি ৭নং কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমরা কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়নের তৃনমূলের নেতা কর্মী ও সাধারন ভোটাররা তাকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই।

সেই লক্ষ নিয়েই ইতোমধ্যে ভোটের মাঠে নেমে পড়েছেন তিনি। প্রায়ই প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভোটাররা রাজনীতির মাঠের পরীক্ষিত তরুন নেতা লিটন মুন্সিকে পেয়ে ব্যাপক সাড়া দিচ্ছেন। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানেই সাধারন মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। তার নিজস্ব কোন চাওয়া পাওয়া নেই। তিনি রাজনীতিকে মানব সেবা হিসেবে মনে করেন। ভোটারদের কাছে এবার যোগ্য প্রার্থী হিসেবে লিটন মুন্সি দলীয় প্রতীক নৌকা মার্কায় মনোনয়ন দেওয়ার দাবী উঠছে সবর্ত্র।

একান্ত সাক্ষাৎকারে লিটন মুন্সি এ প্রতিবেদককে বলেন, আওয়ামী লীগের জন্য আমি ও আমার পরিবাব অনেক ত্যাগ স্বিকার করেছি। অনেক নির্যাতিত হয়েছি বিরোধী দলের সময়। আমি আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী। আমি সকলের নিকট দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি। আমি নির্বাচিত হলে এই ইউনিয়নের সকল টেক্স মওকুফ করে দিব। এবং আপনাদের সকলকে সাথে নিয়ে কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন গড়ে তুলবো।

 17 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন