chandpurreport 415

ফরিদগঞ্জে বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কর্তনের সুযোগ দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে উপজেলা বন কর্মকর্তা কাউছার মিয়া সরকারী গাছ কর্তণের সুযোগ দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার পৌর এলাকার চরবসন্তে সড়কে পাশে হেলে পড়া গাছ স্থানীয়দের সহযোগীতায় কর্তণ করে গোপনে বিক্রি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জসিম নামের এক ব্যাক্তির কাছের ডাল পালা বিক্রি ও ইসমাইল নামের এক নসীমন চালকে দিয়ে গাছটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে।

এ দিকে সম্প্রতি পৌর এলাকার কেরোয়া আর্দশ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মূখে একটি গাছ ঝড়ে পড়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দেখে ওসি তদন্ত মো: বাহার মিয়া স্থানীয় রুবেল নামের এক ব্যাক্তিকে গাছটি কেটে সড়কের পাশে রাখার জন্য বলেন। সে গাছটি কেটে বাড়ি নিতে চাইলে জনৈক সংবাদকর্মী বলেন, গাছ কোথায় নিচ্ছ? তখন প্রতিউত্তরে সে জানায়, আমার খরচ কে দেবে? বাড়ি নিয়ে রাখছি তাই। তখন সংবাদকর্মী ওসি তদন্তের সাথে কথা কলে ওর দায়িত্বে রাখতে বলে । সেই রক্ষিত গাছ উপজেলা বন কর্মকর্তা কাউছার মিয়া ২ হাজার ৫শত টাকা রুবেল থেকে সুবিধা নিয়ে দিয়েছে বলে রুবেল জানায়।

উপজেলা বন কর্মকর্তা করাত কলগুলোকে লাইসেন্সের অযুহাতে ও ভয় ভীতি দেখিয়ে প্রায় সবক‘টি করাত কল থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানিয়েছেন। মামলার ভয় ভীতি ও লাইসেন্স দেওয়ার নাম করণ কণে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে এ কর্মকর্তা ।এছাড়াও রুপসা ব্রম্য পাড়া সড়কের পাশ থেকে একাদিক গাছ কর্তণ করে করাত কলের মালিদের সাথে আতাত করে বিক্রির অভিয়োগও রয়েছে।

কাছ কর্তণ ও সুবিধা নিয়ে গাছ দিয়ে দেওয়ার বিষয়ে শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদকর্মীরা বন কর্মকর্তা কাউাছার মিয়ার নিকট জানতে চাইলে ,সে সংবাদকর্মীদের বক্তব্য না দিয়ে হুমকি দিয়ে বলে নিউজ করলে দেখিয়ে দেবো। সে আরও বলেন, চাঁদপুরের অনেক প্রভাবশালী নেতাকর্মী আমার হাতে রয়েছে বলে পুন: রায় হুমকি দিয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদ সদস্য মশিউর রহমান মিটুুর নাম বিক্রি করে বিভিন্ন জায়গায় সরকারী গাছ কেটে নেওয়ার সুযোগ দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের সদস্য মো: মশিউর রহমান মিটু জানান, একাদিক স্পট থেকে আমার কাছে ফোন এসেছে বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তিনি আরোও বলেন, চর বসন্তের গাছের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।

জেলা বন কর্মকর্তা মো: তাজুল ইসলাম জানান, আমাকে অনেকেই মোবাইল ফোনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বন কর্মকর্তা কাউছার মিয়ার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি জানান, বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবাদ কর্মীরা বক্তব্য চেয়ে হুমকির স্বীকারের কথার প্রেক্ষিতে বলেন, বন কর্মকর্তাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করবো।

 37 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন