chandpurreport 212

শাহমাহমুদপুর ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী খোকন মল্লিকের গণসংযোগ 

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদেরও নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোট প্রার্থীরা।

তেমনি উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে চার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে মোঃ মাসুদুর রহমান নান্টু পাটওয়ারী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে শাহজালাল হোসেন সোহাগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী টেলিফোন নিয়ে স্বপন মাহমুদ ও আনারস প্রতীকে আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম খোকন মল্লিক।

সব মিলিয়ে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা জমজমাট হয়ে উঠেছে প্রান্তিক এলাকা।

আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী আনারস প্রতীক নিয়ে প্রচার প্রচারণা, গণসংযোগ ও সর্বস্তরের মানুষের সাথে মতবিনিময় অব্যাহত রেখে চলছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম খোকন মল্লিক। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ইউনিয়নের সকল শ্রেনি পেশার মানুষের আস্থাভাজন খোকন মল্লিক চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতায় অংশ নেয়ায় অনেকটাই পাল্টেছে শাহমাহমুদপুর ইউপি নির্বাচনের সমীকরণ। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবদি ইউনিয়নের প্রত্যেকটি অলি গলি রীতিমতো চষে বেড়াচ্ছেন খোকন মল্লিক ও তার কর্মী সমর্থকরা। হাটবাজার, পাড়া-মহল্লা এমনকি বাড়ি বাড়ি গিয়েও সাধারণ মানুষের সাথে করছেন গণসংযোগ, মতবিনিময়, দোয়া, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট চাইছেন ভোটারদের কাছে।

আরো পড়ুন : যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ

বৃহষ্পতিবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শাহতলী উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় গণসংযোগকালে চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খোকন মল্লিক বলেন, সাধারণ জনগন ও ভোটারদের ওপর আমার আস্থা রয়েছে। সেই আস্থা নিয়ে সকলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আমি কারো সমালোচনা করবো না। জনগনের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে শুধু একটাই দাবি, তা হল সুষ্ঠ নির্বাচন। কে ভাল, আর কে মন্দ তার রায় ১১ নভেম্বর আশাকরি মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে দিবে।

আরো পড়ুন : অর্শ গেজ পাইলস বা ফিস্টুলা রোগের চিকিৎসা

তিনি আরো বলেন, আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগে বিভিন্ন শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত থেকে কাজ করে যাচ্ছি। আমি দীর্ঘদিন ঐতিহ্যবাহী মহামায়া হানাফিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্ব পালন করে এসেছি। বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী আল জামিয়াতুল শামছুল উলূম মহামায়া মাদ্রাসা কমিটির সম্মানিত সদস্যসহ বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসার সাথে জড়িত রয়েছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র থেকে বড় পরিসরে মানুষের সেবার উদ্দেশ্যে ইউনিয়নবাসীর অনুরোধে এ নির্বাচনে অংশ নেই। এ ইউনিয়নে এখনো আমার ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। প্রায় একুশ হাজার ৮৩৭ জন ভোটারের মধ্যে শতকরা ৬৫ ভাগ ভোটার আমাকে ভোট দিবেন বলে আমি আশাবাদী। আমি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার ছোট বড় সকল বাড়িতেই ঘুরে ঘুরে মানুষের মনের কথাগুলো শোনার চেষ্টা করছি। নির্বাচিত হলে আমি তাদের চাহিদাগুলো পূরণে শতভাগ চেষ্টা করে যাবো ইনশাআল্লাহ।

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিকারে শক্তিশালী ভেষজ ঔষধ

 24 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন