chandpurreport 452

চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী লিটন মুন্সি

ওমর ফারুক সাইম :
আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কচুয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। এ নির্বাচনে কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. লিটন মুন্সি।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২১ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত তৃণমূল আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে তাঁর নাম অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। জোট সরকারের আমলে বহু নির্যাতিত ৯০ দশকের এ নেতা তাঁর মনোনয়ন লাভে একটি স্রোতধারা সৃষ্টি লক্ষ্যে গত কয়েক মাস ধরে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দ্বারে দ্বারে ছুটে গেছেন।

কর্মীদের দুঃখ ও দুর্দশায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। একইভাবে দলীয় উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সু-দৃষ্টি কাড়ার ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দলীয় মনোনয়ন লাভে দৃঢ় মনোবল পোষণ করছেন। ইতিমধ্যে তিনি দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন তিনি।

লিটন মুন্সির সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তাঁর দলীয় কর্মকান্ড সম্পর্কে জানান, তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ^াসী হয়ে ১৯৯১ সালে প্রথম ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত হযরত শাহ নেয়ামত শাহ উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৯৫ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত কচুয়া বঙ্গবন্ধু কলেজ শাখা ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক, ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, ২০০১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ২০০৪ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত কচুয়া উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক, ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কচুয়া সদর দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ও পরবর্তীতে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও বর্তমানে সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত। শিক্ষাসহ সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাÐে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন দীর্ঘদিন থেকে। তাঁর সামাজিক কর্মকাÐে অবদানের জন্য তিনি বেশ সুনাম কুড়িয়ে চলছেন।

সাংগঠনিকভাবে তিনি ১৯৯১ সাল থেকে খালেদা জিয়ার ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার শাসন বিরোধী আন্দোলনে, ৯৬ এর অসহযোগ আন্দোলন, ৯৬ এর ১৫ ফেব্রæয়ারী প্রহসনের নির্বাচন, ২৮ অক্টোবর লগিবৈঠা আন্দোলন, ৫ জানুয়ারী জামায়াত শিবির তান্ডবে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন।

রাজনৈতিক নির্যাতন প্রসঙ্গে তিনি জানায়, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলার আসামী হতে হয়েছে তাকে। ১৯৯১ সাল থেকে খালেদা জিয়ার ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার শাসন বিরোধী আন্দোলনে রাজনৈতিক মাঠে থেকে জেল-জুলুম ও শারিরিক নির্যাতর্নের শিকার হয়েছেন। ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচন চলাকালীন সময় সাবেক শিক্ষা প্রতি মন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলন ভোট কেন্দ্রে তাকে বন্দুক ঠেকিয়ে মারার জন্য অনত্র তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ছাত্র লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তার পরিবারের উপর নির্যাতন শুরু করলে তিনি ঢাকায় চলে যান জননেত্রী শেখ হাসিনার লংঙ্গর খানায় আশ্রয় নেন বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো জানান, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ঘোষিত যেকোন আন্দোলন, নির্বাচন, দলীয় কর্মকান্ড দলের স্বার্থে যথাযত ভাবে পালন করেছি। আর জীবন থাকা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করে যাব। পাশাপাশি দলের জন্য তাঁর এসব অবদানের কথা নেতৃবৃন্দ সু-বিবেচনা করবেন বলে তিনি আশাবাদী।

আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

আরো পড়ুন : মেহ-প্রমেহ ও প্রস্রাবে ক্ষয় রোগের প্রতিকার

আরো পড়ুন : অর্শ গেজ পাইলস বা ফিস্টুলা রোগের চিকিৎসা

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিকারে শক্তিশালী ভেষজ ঔষধ

আরো পড়ুন : যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ

 55 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন