বিল কচুরিপনা

মতলবে খালে নানা প্রতিবন্ধকতা : অতি বৃষ্টির কারণে নীচু জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি

গোলাম নবী খোকন :

মতলব উত্তরের বেড়ি বাঁধের ভিতর যেখানে সেখানে বাড়ি ঘর, পানি নিষ্কাশন খালগুলো দখল ও কোন কোন জায়গায় খালে বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ এবং খালের পারে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়ে খাল বন্ধ হবার উপক্রম হয়ে পড়ছে।

যেমন বাধেঁর ভিতর প্রায় ২/৩ শত পানি নিস্কাশন খাল রয়েছে। প্রত্যাকটি খাল কচুরী পানা, জঙ্গল ও পচা আর্বজনায় ভরপুর। এ কারনে অতি বৃষ্টির কারনে নীচু জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, এতে করে কৃষক, কৃষানীদের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়। পানি নিস্কাশন খালের মধ্যে সব চেয়ে বড় খাল ( নদী) এ টি হলো গাজীপুর – নয়া কান্দি ও সুজাত খাল। এ খালটি পানি উন্নয়ন বোর্ড নাম রেখেছে D4 খাল। এ খালে এমন ঠাসা কচুরী জমাট বেধে আছে। এর কারনে পানি দূষিত হয়ে নদীর মাছ পচে গলে

মানুষের মাঝে রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এ খালের পানি দ্বারা মানুষের গোসল, হাড়ি পাতিল দোয়া মাজা করা অনুপযোগী হয়ে পরছে। এখনী সময় বাঁধের ভিতর পানি নিষ্কাশনের খাল গুলি সংস্কার করা ও খাল গুলির কচুরী পানা ও জম্গল সাফ করা। খাল গুলি সংস্কারের অভাবে মরে যাচ্ছে।

এ প্রকল্পে অনেক কর্মকর্তা আসছেন চলে গেছেন, অনেক প্রভাবশালী ব্যাক্তি ও বিভিন্ন মহল আছেন, তারা কোন দিনই প্রকল্পের ভাল চায় নাই, তাদের প্রকল্পের জন্য কোন দরদ ছিল না আর ভবিষ্যতে থাকবেওনা।

এদের হাত তেকে প্রকল্পকে বাঁচাতে হবে। বাধঁটি আস্তে আস্তে ঝুকিপূর্ণের দিকে চলে যাচ্ছে। প্রকল্প বাসিদের বাচাতে হলে আর ঘরে বসে না থেকে, সকল মতভেদ ভুলে গিয়ে সকলকে বাঁধ বাঁচাতে হবে।

এ বাধেঁর বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে, এ সমস্ত সমস্যা সমাধানের জন্য মাননীয় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. সামছুল আলম মোহন, চাঁদপুর -২ আসনের  সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাড নুরুল আমিন রুহুল এমপি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ ও পানি ব্যবস্হাপনা ফেডারেশনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

 51 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন