weather আবহাওয়া rain

মতলব উত্তরে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি

গোলাম নবী খোকন : ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে সারা দেশে গত ৫ ডিসেম্বর হতে এ পর্যন্ত বৈরী আবহাওয়া ও লাগাতার বৃষ্টি চলছে। থামার কোনো অবকাশ যেনো নেই।

চাঁদপুর জেলার প্রত্যেক উপজেলায় একই অবস্থা বিরাজ করছে। সরজমিন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুরের মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলায় কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

সদ্য রোপা আলু, ভূট্রা, সরিষা, মরিচসহ শীত কালীন শাক-সবজি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশী লক্ষ্য করা গেছে।

এ সময়টা কৃষিকাজ ও কৃষকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও উপযোগী। অধিকাংশ কৃষক খেতে বীজ বুনে ফেলেছে। বাকী কৃষকরা ও ফসল করার জন্য তৈরী হয়ে বসে আছে। বেশী ক্ষতির সম্ভাবনা আলু চাষীদের।

দেখা গেছে, প্রত্যেক বছর এ সময়টা আসলে একটানা একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ নেমে আসে। এতে করে কৃষক কৃষাণীদের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয় ও বছরের পর বছর কৃষকের লোকশান গুণতে হয়।

এ বছর ধারাবাহিক এই বৃষ্টিতে একেবারে কৃষকের মাথায় হাত। আরেকটি ব্যাপার লক্ষ্য করা গেছে, মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ভিতর এখন পাকা ধানের সমাহার। ধান কাটা শুরু মাত্র। গত ২/৩ দিনের টানা বর্ষনে নীচু জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং অধিকাংশ কৃষকের ধান হেলে পড়ে গেছে।

এতে করে ধান ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশী। আরেকটি ব্যাপার লক্ষ্য করা গেছে, এ সময়ে এমনি করে বৃষ্টি পাত হলে জ্বালানি ও গরুর গো- খাদ্যের সংকট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। শুধু তাই নয়, নদীতেও পানি বৃদ্ধি হয়েছে। বাঁধের বাহিরের এলাকার সদ্য রোপা আলু, মরিচ, ভুট্টা ও সরিষা ক্ষেত জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।

উপজেলার সিপাইকান্দি ও মাইজকান্দি এলাকায় ঘুরে দেখা যায় জোয়ারের পানিতে সদ্য বোনা ফসল তলিয়ে গেছে। এতে করে কৃষক কৃষাণীদের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের এ ক্ষতি কৃষক কৃষাণীদের কোন দিনই পুষিয়ে আনা সম্ভব হবে না, এখন কৃষকরা শুধু আল্লাহর উপর ভরসা রাখছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক কৃষাণীদের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী, চাঁদপুর-২ আসনের সাংসদ সদস্য ও উর্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

 77 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন