রিপোর্ট 397

অপহরণের ৫দিন পর কচুয়ার মাদ্রাসা ছাত্র উদ্ধার: গ্রেফতার ২

ওমর ফারুক সাইম :
কচুয়ায় অপহরনের ৫দিন পর বেলাল (১০) নামের এক মাদ্রাসার ছাত্রকে নারয়ানগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় অপহরনকারী রিপন (৩২) ও তার পিতা আলাউদ্দিন (৫৫) কে ৮ ফেব্রæয়ারি (মঙ্গলবার) রাতে নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার লক্ষীপুরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ ও শিশু বেলালের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিন ইউনিয়নের উচিতগাবা গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে ডলি বেগমের ছেলে বেলাল স্থানীয় রহিমানগর এনামিয়া লতিফিয়া আবাসিক মাদ্রাসায় হেফজ বিভাগের ছাত্র। মা ডলি বেগম প্রবাসে থাকায় শিশু বেলাল নানা আবুল হোসেনের বাড়ি থেকে ওই মাদ্রাসায় আবাসিক ছাত্র হিসেবে লেখাপড়া করে আসছে। ৪ ফেব্রæয়ারি (শুক্রবার) দুপুরে বেলালকে অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে ৭ ফেব্রæয়ারি (সোমবার) তার নানা আবুল হোসেন কচুয়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী দায়ের করে।

নিখোঁজের পর অপরিচিত মোবাইলের মাধ্যমে অপহরনকারী শিশু বেলালের পরিবারের সদস্যদের কাছে ১লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। মুক্তিপন দাবির বিষয়টি কচুয়া থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অপহরনকারীর অবস্থান নিশ্চিত করে। অতপর ৮ ফেব্রæয়ারি (মঙ্গলবার) রাতে কচুয়া থানার এসআই তরুন কান্তি এবং এএসআই রামু রায় আড়াইহাজার থানা পুলিশের সহযোগিতায় ওই থানাধীন লক্ষীপুরা গ্রাম এলাকা থেকে শিশু বেলালকে উদ্ধারকরে ও তাকে অপহরনকারী রিপন ও তার পিতা আলাউদ্দিনকে গ্রেফতার করা করে কচুয়া থানায় নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে কচুয়া থানার ওসি মো. মহিউদ্দিন জানান, শিশু বেলালের নিখোঁজের পর তার মুক্তিপনের টাকা দাবী করে যে অপরাধী টাকা পাঠানোর যে বিকাশ নাম্বার দিয়েছিল সেই বিকাশ নাম্বারের সূত্র ধরে অভিযোগ পাওয়ার একদিন পর আড়াইহাজার থানা পুলিশের সহায়তায় ভিকটিম কে উদ্ধার ও ঘটনার সাথে জড়িত দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।

৯ ফেব্রæয়ারি (বুধবার) নারী ও শিশু দমন আইনে মামলা রুজু করে অপহরনকারী রিপন ও আলাউদ্দিনকে চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার মধ্য দিয়ে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

 90 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন