রিপোর্ট 439

কুমিল্লায় গ্রেফতার সেই ইকবালকে নোয়াখালীর ৪ মামলায় শোন অ্যারেস্ট

কুমিল্লা প্রতিনিধি :

কুমিল্লায় মূর্তির কোলে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা চার মামলায় কুমিল্লায় গ্রেপ্তারকৃত সেই ইকবালকে শোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছেন আদালত।

সিআইডির আবেদনের ভিত্তিতে এ শোন অ্যারেস্টের আবেদন মঞ্জুর করা হয়। বর্তমানে ইকবালকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ইকবালের অ্যারেস্ট মঞ্জুর করা হয়। এ সময় আদালতে হাজির ছিলেন কুমিল্লার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইকবাল। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো হচ্ছে- বেগমগঞ্জ থানার মামলা নং-২৭, ১৯, ৩১ এবং কোম্পানীগঞ্জ থানা মামলা নং-১৪।

জেলা কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ আলম বলেন, চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা তিনটি ও কোম্পানীগঞ্জে মন্দিরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলাগুলো সিআইডি নোয়াখালী তদন্ত করেছে।

বেগমগঞ্জের তিনটি মামলায় অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সোনিয়া আক্তার ও কোম্পানীগঞ্জের মামলাটি ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমদাদ আসামি মো. ইকবালের উপস্থিতিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সিআইডি নোয়াখালীর বিশেষ পুলিশ সুপার মো. বশির আহমেদ জানান, চারটি মামলায় আসামি ইকবালের শোন অ্যারেস্টের আবেদন করে সকালে তাকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। যে চারটি মামলায় আসামি ইকবালকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে তা সিআইডির পৃথক চার জন্য কর্মকর্তা আলাদা তদন্ত করছেন।

প্রসঙ্গত, বেগমগঞ্জে পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় ১৩ মামলার মধ্যে ছয়টি সিআইডি ও ছয়টি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং আরও একটি বেগমগঞ্জ থানায় তদন্তাধীন রয়েছে। গত বছরের (২০২১ সালের) ১৩ অক্টোবর কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে ১৫ অক্টোবর শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে নোয়াখালীর চৌমুহনী শহরের বিভিন্ন মসজিদ থেকে কয়েক হাজার মুসল্লি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হন। পরে হিন্দুদের পূজামণ্ডপ, দোকানপাট ও মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলায় ইসকনের ভক্ত যতন সাহা (৪২) ও প্রান্ত চন্দ্র দাস (২৬) নিহত হন। আহত হন চার পুলিশ সদস্যসহ অর্ধশতাধিক।

 47 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন