রিপোর্ট 472

নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন সম্ভব: মায়া

মহিলা আওয়ামী লীগ ও যুব আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায়

গোলাম নবী খোকন :
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম বলেছেন, নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন সম্ভব।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন সম্ভব। কারণ দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা হচ্ছে নারী।

জনগণের ক্ষমতায়ন যদি করতে হয় নারীর ক্ষমতায়ন প্রয়োজন। সেজন্য আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন।’

তিনি সোমবার দুপুরে চাঁদপুরের মতলব উত্তরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মহিলা আওয়ামী লীগ ও যুব আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মোহনপুরের আলী ভিলায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মায়া বলেন, নারী উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার যত কাজ করেছে অন্যকোন সরকার এই কাজ করেনি। বাংলাদেশে আরো নেত্রী আছেন, তারা নারী উন্নয়নের জন্য কিছুই করেনি। নারীর উন্নয়নের জন্য বিএনপি ও তাদের নেত্রী খালেদা জিয়াও কোন কাজ করেননি। উনারা শুধু নিজের উন্নয়নের জন্য করেছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে যেভাবে নারী উন্নয়ন হয়েছে এটি পৃথিবীর সামনে একটি উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। আজ থেকে ১৫-২০ বছর আগে কেউ ভাবেনি একজন মহিলা ডিসি-এসপি হবেন। কিন্তু আজকে বাংলাদেশের অনেক গুলো ইউএনও হচ্ছে নারী, অনেক জেলার ডিসিও নারী। এবং তারা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করছে।

তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে নারীর ক্ষমতায়ন শুরু হয়েছিল ১৯৯৬ সালে , বঙ্গবন্ধু কন্যা যখন জনগণের রায়ে প্রথম সরকারের দায়িত্বভার নিয়েছিলেন। তিনি হাইকোর্টের জজ নিয়োগ দিয়েছিলেন নারী, হাইকোর্টের আপীল বিভাগের জজও নিয়োগ দেন নারীকে। এখন অনেক মন্ত্রণালয়ের নারী সচিব দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, শুধু সরকারি ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন নয়, গ্রামে গঞ্জে সবখানে নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদে এক তৃতীয়াংশ নারী সদস্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সন্তান জন্মের পর আগে অভিভাবকের জায়গায় শুধু পিতার নাম লেখা হতো, এখন মায়ের নামও লেখা হয়। বাংলাদেশের নারীরা কখনো দাবি করেননি স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা দেয়ার জন্য। কিন্তু তিনি স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা চালু করেছেন। ইউরোপেও স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা নাই। মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ নারী উন্নয়নে যেসব ভাতা চালু করেছেন তা পৃথিবীর জন্য উদাহরণ।

উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী পারভীন শরীফের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মিনহাজ উদ্দিন খানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন মানিক, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট রুহুল আমিন, মতলব উত্তর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের প্রধান উপদেষ্টা পারভীন চৌধুরী রিনা, উপদেষ্টা সুবর্ণা চৌধুরী বীনা,মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়া মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, যুব মহিলা লীগের সভাপতি রেনু বেগম

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সদস্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি প্রকৌশলী আঃ রব ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ আখন্দ, এডভোকেট জহিরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শাহ আলম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম মিয়াজী, মতলব দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিজাুল মোস্তফা তালুকদার, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শহীদ উল্লাহ প্রধান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইউব আলী গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী ইলিয়াছুর রহমান, শাহজাহান প্রধান, সদস্য ও মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক চৌধুরী বাবুল, ছেংগারচর পৌর মেয়র রফিকুল আলম জর্জ, ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোমেন দানেশ, সদস্য গাজী মুক্তার হোসেন, কলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুস সোবহান সরকার শুভা, সদস্য এডভোকেট সেলিম মিয়া, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী শরীফ হোসেন, মতলব উত্তর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মিনহাজ উদ্দিন খান,যুগ্ম আহবায়ক তামজিদ সরকার রিয়াদ, মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাসলিমা ফরাজী।

 31 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন