chandpur report 58

হাজীগঞ্জ পিরোজপুর উবি’র দপ্তরী বাবুলের বিরুদ্ধে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

হাজীগঞ্জের পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরী বাবুলের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী কু-প্রস্তাবের অভিযোগ এনেছেন। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কালচোঁ উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক হোসেন প্রধানীয়ার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী হাওয়া আক্তার। সে পিরোজপুর গ্রামের সোবাহান মিয়ার মেয়ে।

গত কয়েকদিন আগে ঐ ছাত্রী প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনির হোসেনের কাছে মৌখিক ভাবে দপ্তরী বাবুলের বিরুদ্ধে জানালে পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও চেয়ারম্যান মানিক হোসেন প্রধানীয়া লিখিত অভিযোগের সত্যতা জানতে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রবীরসহ তিন সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন করেন চেয়ারম্যান । এক সপ্তাহের তদন্ত কমিটি গত চার দিনেও উভয় পক্ষ থেকে কোন তথ্য সংগ্রহ করতে পারেনি বলে ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে বিদ্যালয়ের দপ্তরী গোপনে স্কুল ছাত্রীর জনৈক এক ভাইয়ের যোগসাজশে বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা করছেন বলে বিশ্বস্ত সৃত্রে জানাযায়।

স্কুল ছাত্রীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানাযায় বিদ্যালয়ের দপ্তরী বাবুল প্রথমে সরাসরি কোন এক ঘটনায় নাম্বারটি নেন। তার পর থেকে বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে মেয়েটির সাথে নানা বিষয়ে কথা বলা শুরু করেন। এক পর্যায়ে স্কুল ছাত্রীকে খারাপ কথা ও কু-প্রস্তাব দিয়ে কিছু টাকা দেওয়ার প্রলোভন পর্যন্ত দেখিয়েছেন দপ্তরী বাবুল। তার বিষয়টির মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় স্কুল ছাত্রী অতুষ্ট হয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নামপ্রকাশে অনিশ্চুক স্থানীয় কয়েকজন বলেন, দপ্তরী বাবুলের বাড়ী বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের আঙিনায়। যে কারনে অনেক সময় সকাল বেলা প্রাইভেট বা কুচিং করতে আসা ছাত্রীদের একা পেলে কথা বলতে দেখা যায়। তাছাড়া বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ইট, রডের টুকরাসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করার রেকর্ড আছে। গত ৪/৫ দিন ধরে এলাকায় পুরো রব উঠেছে।

বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত দপ্তরী বাবুল বলেন, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। তার সাথে কথা আমি বলেছি সত্য কিন্তু কোন বাজে কু- প্রস্তাব দেইনি। তার কাছে আমি তিন হাজার টাকা পাবো। টাকা চাইতে গেলে সে না দেওয়ার জন্য মূলত আমার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

তদন্ত কমিটির সদস্য ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রবীর বলেন, আমরা তাদেরকে ফোন করে বলেছি। শনি রবি বারের মধ্যে আসাকরি কথা বলে রিপোর্ট তৈরি করবো।

Hakim Mizanur Rahman New ad

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনির হোসেন বলেন, বিষয়টি পেয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ করে তদন্তটিম তৈরি হরে দিয়েছি।

piles fistula

কালচোঁ উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মানিক হোসেন প্রধানীয়া বলেন, বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর লিখিত অভিযোগের পেক্ষিতে দপ্তরী বাবুলের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রথম দাপে তিন সদস্য তদন্তটিম গঠন করে দিয়েছি। তারা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা। আমি কোন অন্যায় কাজে কাউকে ছাড় দেই না।

 60 সর্বমোট পড়েছেন,  1 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন